বাজারের আদা-রসুন পেস্টে ভেজাল? কেনার আগে এই লক্ষণগুলো দেখুন

বাজারের আদা-রসুন পেস্টে ভেজাল? কেনার আগে এই লক্ষণগুলো দেখুন

প্রায় প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার হয় আদা–রসুন পেস্ট। কিন্তু সেই পেস্ট যদি ভেজালযুক্ত হয়, তাহলে স্বাস্থ্যের জন্য তা হতে পারে ক্ষতিকর। তাই কেনার পর কয়েকটি সহজ পরীক্ষায় যাচাই করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

টেক্সচার দেখেই প্রথম ধারণা

অল্প পরিমাণ পেস্ট হাতে নিয়ে ঘষুন।

মসৃণ ও নরম লাগা উচিত

খসখসে, দানাদার বা দলা দলা হলে স্টার্চ বা সস্তা উপাদান মেশানোর সন্দেহ থাকতে পারে

এটি সবচেয়ে সহজ ও প্রাথমিক যাচাই পদ্ধতি।

জল পরীক্ষা করুন

একটি পাত্রে সামান্য পেস্ট নিয়ে ১০–১৫ মিনিট রেখে দিন।

উপরে জল আলাদা হয়ে গেলে

নিচে ঘন স্তর জমলে

তা ভেজালের ইঙ্গিত হতে পারে। খাঁটি পেস্ট সাধারণত সমজাতীয় থাকে।

রঙ কি স্বাভাবিক?

স্বাভাবিক আদা–রসুন পেস্ট সাধারণত হালকা বাদামি বা ক্রিম রঙের হয়।

যদি পেস্টটি—

একেবারে সাদা

অস্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল

দেখায়, তাহলে রাসায়নিক দিয়ে ব্লিচ করা হয়েছে কি না সন্দেহ করা উচিত।

প্যাকেজিং ভালো করে পড়ুন

প্যাকেটজাত পণ্য কিনলে অবশ্যই দেখুন—

প্রস্তুতকারকের নাম

উৎপাদনের তারিখ

মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ

Food Safety and Standards Authority of India (FSSAI) লাইসেন্স নম্বর

তথ্য অস্পষ্ট বা অস্বাভাবিকভাবে কম দামের পণ্য এড়িয়ে চলাই ভালো।

সবচেয়ে নিরাপদ উপায় কী?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—

বাজারের পণ্যের উপর পুরোপুরি নির্ভর না করে ঘরেই তাজা আদা ও রসুন দিয়ে পেস্ট বানান।

অল্প পরিমাণে তৈরি করুন

ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন

কয়েক দিনের মধ্যে ব্যবহার করুন

এতে স্বাদ ও গন্ধ বজায় থাকে, পাশাপাশি ভেজালের ঝুঁকিও কমে।

বাজারে পাওয়া আদা–রসুন পেস্টে ভেজাল মেশানোর অভিযোগ নতুন নয়। টেক্সচার, জল পরীক্ষা, রঙ এবং প্যাকেজিংয়ের তথ্য দেখে সহজেই খাঁটি-নকল চেনা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তার জন্য ঘরেই তাজা পেস্ট তৈরি করাই সেরা উপায়।

 

Leave a comment