নিপা ভাইরাস নিয়ে দেশজুড়ে সতর্কতার আবহে এবার তৎপর হল কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানা। রাজ্য জু অথরিটির পরামর্শে চিড়িয়াখানার কিছু নির্দিষ্ট প্রাণীর রক্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মূলত বানর ও শিম্পাঞ্জিদের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনওভাবেই সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি না হয়।

নিপা আতঙ্কে কড়া নজরদারি
নিপা একটি ‘জুনোটিক ভাইরাস’, যা পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হতে পারে। সেই কারণেই আলিপুর চিড়িয়াখানার প্রাণীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। চিড়িয়াখানার ভেতরে থাকা বানর ও শিম্পাঞ্জিদের রক্ত পরীক্ষা করার নির্দেশ এসেছে রাজ্য জু অথরিটির তরফে।
বাদুড়ের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে সতর্কতা
কলকাতার মধ্যে আলিপুর চিড়িয়াখানাই এমন একটি জায়গা, যেখানে বিপুল সংখ্যক গাছ থাকার কারণে বাদুড়ের বসবাস রয়েছে। নিপা ভাইরাসের সম্ভাব্য বাহক হিসেবে বাদুড় চিহ্নিত হওয়ায়, এই এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মী ও দর্শকদের জন্য বিশেষ নির্দেশ
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ কর্মী ও দর্শকদের সচেতন করতে একাধিক নির্দেশ জারি করেছে। গাছ থেকে পড়ে থাকা কোনও ফল স্পর্শ না করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, দর্শকদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে—খাঁচার ভিতরে থাকা পশুপাখিদের বাইরে থেকে কোনও খাবার দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
অহেতুক আতঙ্কের প্রয়োজন নেই
রাজ্য জু অথরিটির মেম্বার সেক্রেটারি পি কমলাকান্ত জানিয়েছেন, চিড়িয়াখানায় প্রচুর গাছ থাকার কারণে বাদুড় থাকাটা স্বাভাবিক। তবে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা সর্বদা সতর্ক রয়েছি এবং নিয়মিত নজরদারি চলছে।

বাড়তি সতর্কতাই এখন মূল চাবিকাঠি
আলিপুর চিড়িয়াখানায় বাদুড়ের উপস্থিতির কারণে আপাতত বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তরফে সকল দর্শক ও কর্মীদের চিড়িয়াখানার নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদন জানানো হয়েছে।

নিপা ভাইরাস নিয়ে বাড়তি সতর্কতায় আরও কড়া হল আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। রাজ্য জু অথরিটির নির্দেশে বানর ও শিম্পাঞ্জিদের রক্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কর্মী ও দর্শকদের জন্য জারি হয়েছে একাধিক সচেতনতামূলক নির্দেশিকা।












