Bengal BJP Party Update: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি এখন দলের দলে যোগদানে সংযম প্রয়োগ করছে। একুশের ভোটের আগে বড় আড়ম্বরের ‘যোগদান মেলা’ বন্ধ করে দলে নেওয়া হবে শুধু সেই নেতাদের, যারা আদর্শগতভাবে বিজেপির সঙ্গে মিল রেখেছেন এবং দলের কাজে কার্যকর হবেন। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল নির্দেশ দিয়েছেন, মণ্ডল বা জেলা স্তরে শুধু প্রয়োজনীয় আকারেই যোগদান অনুষ্ঠান হবে। টিকিটের শর্তে কাউকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে না।

সংযমের নীতি ও দলে যোগদানের পরিবর্তন
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি এবার অন্য দলের নেতাদের দলে নেওয়ার আগে শুদ্ধিকরণের নীতি মানছে। যে নেতারা আদর্শগতভাবে দলের সঙ্গে মিল রাখে এবং দলের কাজে কাজে লাগবে, শুধু তারাই দলে নেওয়া হবে। কোনো রকম আড়ম্বর করা হবে না।
একুশের ভোটের পূর্ব অভিজ্ঞতা
একুশের ভোটের আগে ঢাকঢোল পিটিয়ে যোগদান করানো হতো। দিলীপ ঘোষ জেলায় জেলায় মেলা আয়োজন করতেন। তৃণমূল, সিপিএম বা কংগ্রেসের ছোট নেতাদেরও যোগদান করানো হতো। চাটার্ড বিমানে নেতা নিয়ে গিয়ে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় অফিসে আড়ম্বর করা হতো।

সংযমের কারণ
বঙ্গ বিজেপির ভোট ম্যানেজারদের মতে, কিছু নেতা বাড়বাড়ন্তের কারণে দলের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হচ্ছিল। দলের প্রচারে সমস্যা হচ্ছিল। তাই এবার অন্য দলের নেতাদের যাচাই করা হবে, যাতে ‘বেনোজল’ ঢোকা আটকানো যায়।
নতুন নিয়মে যোগদান অনুষ্ঠান
দলের পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলের নির্দেশ অনুযায়ী, মণ্ডল বা জেলা স্তরে যে নেতাদের যোগদান প্রয়োজন, সেই আকারেই অনুষ্ঠান হবে। রাজ্য অফিসে বড় যোগদান হবে না। টিকিটের শর্তে কাউকেও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না।
লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ প্রভাব
এই সংযমী নীতি দলকে মূল আদর্শে স্থিত রাখবে। শুধু যোগ্য নেতা দলে প্রবেশ করবে, ফলে দলের কার্যকারিতা ও প্রচার আরও শক্তিশালী হবে।

West Bengal BJP: একুশের ভোটের আগে দলের ‘যোগদান মেলা’ এবং আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানকে এবার বাদ দিয়ে বঙ্গ বিজেপি সংযমের পথে। অন্য দল থেকে যোগদানকারী নেতাদের শুদ্ধিকরণ, আদর্শগত মিল ও দলের কাজে সক্ষমতা যাচাই ছাড়া কেউ দলে নেওয়া হবে না। এই নীতি দলের মূল ভাবধারাকে রক্ষা করতে এবং ‘বেনোজল’ ঢোকা আটকাতে নেওয়া হয়েছে।








