প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর ডিমকে বলা হয় ‘নিউট্রিশন পাওয়ার হাউস’। সকালের জলখাবার থেকে জিম ডায়েট—সবখানেই ডিম অপরিহার্য। কিন্তু বহুদিন ধরেই প্রশ্ন একটাই—সিদ্ধ ডিম না অমলেট, কোনটা খেলে শরীর বেশি সুস্থ থাকবে? এই দ্বন্দ্বেরই সমাধান দিলেন পুষ্টিবিদরা।

সিদ্ধ ডিম কেন ডায়েটের সেরা বন্ধু?
ডিম সিদ্ধ করার চেয়ে সহজ ও স্বাস্থ্যকর রান্না পদ্ধতি খুব কমই আছে।
কম ক্যালোরি, বেশি প্রোটিন
আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্কে সমৃদ্ধ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, কমে ঘন ঘন খিদে
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগা থাকতে চাইলে ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে সিদ্ধ ডিমই সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ।
অমলেট কি তাহলে একেবারেই বাদ?
একেবারেই না। অমলেটের পুষ্টিগুণও সিদ্ধ ডিমের কাছাকাছি। তবে সমস্যাটা তৈরি হয় রান্নার সময়।
বেশি তেল
মাখন
চিজ
এই উপকরণ বেশি হলেই বেড়ে যায় ক্যালোরি ও ফ্যাট।
ঠিকভাবে বানালে অমলেটও হতে পারে স্বাস্থ্যকর
পুষ্টিবিদদের মতে—
অল্প তেল ব্যবহার করুন
সূর্যমুখী তেল বা অলিভ অয়েলের মতো মোনো ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্যবহার করুন
চিজ বাদ দিয়ে দিন পেঁয়াজ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, পালং শাকের মতো সবজি
এইভাবে বানানো অমলেট—
হার্ট ভালো রাখে
খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ায় না
প্রোটিনের সঙ্গে ভিটামিনও জোগায়
তাহলে কোনটা খাবেন?
সবটা নির্ভর করছে আপনার লক্ষ্য কী—
ওজন কমাতে চাইলে: সিদ্ধ ডিম
কম ক্যালোরিতে পেট ভরাতে চাইলে: সিদ্ধ ডিম
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও স্বাদ দুটোই চাইলে: অল্প তেলে সবজি দেওয়া অমলেট
ডিম পুষ্টির ভাণ্ডার হলেও, কীভাবে খাচ্ছেন তার উপরেই নির্ভর করছে লাভ না ক্ষতি। ওজন কমানো থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ—সব কিছুর জন্যই কি সিদ্ধ ডিম সেরা, নাকি অল্প তেলে বানানো অমলেটও সমান উপকারী? বিশেষজ্ঞের পরামর্শে রইল পরিষ্কার ব্যাখ্যা।













