নয়াদিল্লিতে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট Luiz Inácio Lula da Silva ও প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-এর বৈঠক আজ

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট L Narendra Modi-এর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি, কৌশলগত অংশীদারিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল খনিজ, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, জৈব জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট Luiz Inácio Lula da Silva আজ নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছালে Luiz Inácio Lula da Silva-কে রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu এবং প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi উপস্থিত ছিলেন। Lula da Silva ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উভয় দেশের রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিজ নিজ মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরস্পরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর Lula da Silva এবং প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রস্তাবিত রয়েছে।

এই সফরের উদ্দেশ্য ভারত ও ব্রাজিলের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করা। বাণিজ্য, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল খনিজ (Critical and Rare Earth Minerals) ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে এসব খনিজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে বৈদ্যুতিক যান, সেমিকন্ডাক্টর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, স্বচ্ছ জ্বালানি, জৈব জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভারত ও ব্রাজিল উভয়ই জৈব জ্বালানি উৎপাদনে অগ্রণী, এবং এই ক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হতে পারে।

ভারত ও ব্রাজিল উভয় দেশই উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বৈশ্বিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দুই দেশ BRICS এবং G20-এর মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে সহযোগিতা করে আসছে। জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে উভয় দেশের অবস্থানে সাদৃশ্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

 

Leave a comment