সম্প্রতি গ্রেপ্তারের ঘটনার পর মার্কিন পপ তারকা Britney Spears আবারও সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, মাদকাসক্তি থেকে মুক্তি পেতে তিনি নিজেই একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে বা তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
গ্রেপ্তারের পর ঘটনাটি সামনে আসে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪ মার্চ ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল Britney Spears-কে মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর সন্দেহে আটক করে। ঘটনাটি ক্যালিফোর্নিয়ার ভেনচুরা কাউন্টিতে ঘটে। একই দিন তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে এই ঘটনার পর তাঁর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।

চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তির প্রতিবেদন
সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিজের পরিস্থিতি বিবেচনা করে Britney Spears চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি একটি ডিটক্স এবং রিহ্যাব প্রোগ্রাম শুরু করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, প্রাথমিক চিকিৎসার সময়সীমা প্রায় ৩০ দিন হতে পারে এবং প্রয়োজন হলে তা বাড়ানো যেতে পারে। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করেছেন বলে সূত্রের দাবি।
মিডিয়া প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপটি তাঁর আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারে। সূত্রগুলোর মতে, চিকিৎসায় অংশগ্রহণ আদালতের সামনে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। Britney Spears-কে মে মাসে আদালতে হাজিরা দিতে হবে, যেখানে এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত রয়েছে।
সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, গত কিছু সময় ধরে তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তাঁর স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং পেশাদার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি হয়েছেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।








