গণতন্ত্রের মহোৎসব মানেই রঙের লড়াই। আর সেই লড়াইয়ের রঙিন ছোঁয়া এখন স্পষ্ট কলকাতার বড়বাজারে। ওল্ড চায়না বাজার স্ট্রিটে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় জমাচ্ছেন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা। ভোটের প্রচারে প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী কিনতে এই বাজারই হয়ে উঠেছে প্রধান ভরসা।
নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই চাঙ্গা বাজার
নির্বাচন কমিশনের ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বড়বাজারের এই ঐতিহ্যবাহী এলাকায়। বিভিন্ন জেলার কর্মীরা আগেভাগেই প্রচার সামগ্রী সংগ্রহ করতে ভিড় করছেন, ফলে দোকানগুলিতে ক্রেতাদের ঢল নেমেছে।
পতাকা থেকে টিশার্ট—সবই এক জায়গায়
ওল্ড চায়না বাজার স্ট্রিটে পাওয়া যাচ্ছে সব দলের পতাকা, ব্যানার, পোস্টার, প্রতীক আঁকা টুপি, শাড়ি, টি-শার্ট, রিস্ট ব্যান্ড, ব্যাজ ও উত্তরীয়। এমনকি গরমের কথা মাথায় রেখে প্রতীক দেওয়া ছাতারও ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা তুঙ্গে
ভোটের মরশুম মানেই ব্যবসায়ীদের কাছে ‘পিক সিজন’। তাই আগে থেকেই গুদাম ভর্তি করে রাখা হয়েছে বিভিন্ন প্রচার সামগ্রী। দিনরাত এক করে কাজ করছেন ব্যবসায়ীরা, যাতে কোনও দলের কর্মীদের চাহিদা অপূর্ণ না থাকে।
সব দলের একটাই ঠিকানা
শাসক দল তৃণমূল থেকে বিরোধী বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস—সব রাজনৈতিক দলের কাছেই এই বাজার অন্যতম ভরসাস্থল। একই জায়গায় সব ধরনের সামগ্রী পাওয়ায় এখানে ভিড় বাড়ে নির্বাচনের সময়।
ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রাজনৈতিক আবহ
বছরের অন্য সময় শান্ত থাকলেও ভোট এলেই এই এলাকা প্রাণ ফিরে পায়। বহু বছরের পুরনো এই বাজার কলকাতার রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই কলকাতার বড়বাজার সংলগ্ন ওল্ড চায়না বাজার স্ট্রিটে রাজনৈতিক প্রচার সামগ্রীর চাহিদা তুঙ্গে। বিভিন্ন দলের পতাকা, ব্যানার, টুপি, টি-শার্ট থেকে শুরু করে ছাতা—সব কিছু নিয়েই জমে উঠেছে ‘পতাকা বাজার’।












