বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের আর্থিক হলফনামা ঘিরে মানুষের কৌতূহল তুঙ্গে। সেই আবহেই খড়দহ কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসের আর্থিক তথ্য সামনে আসতেই আলোচনার ঝড়। এমটেক ডিগ্রিধারী এই প্রার্থীর জীবনযাপন একেবারেই সাধারণ— যা রাজনীতির চেনা ছবির সঙ্গে বেশ আলাদা।
নগদে সামান্য, তবু আলোচনায়
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, দেবজ্যোতি দাসের হাতে রয়েছে মাত্র ১০ হাজার টাকা নগদ। তাঁর স্ত্রীর কাছেও রয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাকা। রাজনৈতিক প্রার্থীদের মধ্যে যেখানে বিপুল নগদের তথ্য প্রায়ই সামনে আসে, সেখানে এই অঙ্ক নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম।
মধ্যবিত্ত আয়, সাধারণ জীবন
হলফনামা অনুযায়ী, দেবজ্যোতির বার্ষিক আয় ৪ লক্ষ ৭১ হাজার ৬১০ টাকা। এই আয় স্পষ্টভাবেই মধ্যবিত্ত জীবনের প্রতিফলন। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকেও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যে সাধারণ জীবনযাপন করেন, তা এই তথ্যেই পরিষ্কার।
ব্যাঙ্ক ও বিনিয়োগে লক্ষাধিক সম্পদ
অস্থাবর সম্পত্তির হিসেবে দেবজ্যোতি দাসের নামে রয়েছে মোট ৩৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৪১৬ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লক্ষ ১০ হাজার ৩৮২ টাকা। অর্থাৎ নগদ কম হলেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও অন্যান্য বিনিয়োগ মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ বেশ উল্লেখযোগ্য।
জমি-বাড়ি নেই, আছে শুধু একটি বাইক
স্থাবর সম্পত্তির তালিকায় প্রার্থীর নামে নেই কোনও জমি বা বাড়ি। ব্যক্তিগত সম্পদের মধ্যে রয়েছে একটি Hero Super Splendor মোটরবাইক। গয়নার ক্ষেত্রেও তাঁর নামে কিছু নেই, তবে তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১১৫ গ্রাম সোনা।
উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী, এমটেক ডিগ্রি
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে দেবজ্যোতি দাস যথেষ্ট এগিয়ে। তিনি ২০১৪ সালে National Institute of Technical Teachers Training and Research এবং West Bengal University of Technology-এর অধীনে এমটেক ডিগ্রি অর্জন করেন। ফলে শিক্ষাগত দিক থেকেও তিনি একজন শক্তিশালী প্রার্থী।
খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী Debajyoti Das-এর হলফনামা সামনে আসতেই চমক। নগদ অর্থ অল্প, নেই কোনও জমি-বাড়ি— তবু ব্যাঙ্ক ও বিনিয়োগে লক্ষাধিক সম্পদ। শিক্ষিত অথচ সরল জীবনযাপনই যেন তাঁর পরিচয়।












