Bengal Election 2026: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে বিজেপি ডিসেম্বর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে সর্বশক্তি নিয়ে প্রচার শুরু করতে চলেছে। কী—টানা পথসভা, র্যালি ও সংগঠন গঠন; কোথায়—রাজ্যের সর্বত্র; কখন—ডিসেম্বর থেকে; কে—মোদি, শাহ ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব; কেন—তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে। বিজেপির নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে শীর্ষ নেতাদের তিন দিন করে প্রবাসে থাকতে হবে এবং সরাসরি জনসংযোগ চালাতে হবে।

ডিসেম্বর থেকেই মোদি–শাহের টানা বঙ্গ সফর
ছাব্বিশের ভোটে বাংলায় জায়গা দখলের লক্ষ্য নিয়ে বিজেপি এবারে আগেভাগেই প্রচারে নামছে। দলীয় সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাস থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশ নিয়মিতভাবে বাংলায় আসবেন। তাঁদের কর্মসূচির মধ্যে থাকছে বড় র্যালি, সংগঠন বৈঠক, পথসভা ও বিভিন্ন প্রচার।রাজ্য বিজেপির মতে, এটিই হবে ভোটের আগে বিজেপির সবচেয়ে বড় প্রচারপর্ব, যেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সরাসরি মাটির সংস্পর্শে থাকবে।
প্রতি কেন্দ্রেই তিন দিনের প্রবাস বাধ্যতামূলক
বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল জানিয়েছেন, ডিসেম্বর থেকেই প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে শীর্ষ নেতাদের তিন দিন করে প্রবাসে থাকতে হবে। এ সময় তাঁরা ঘরোয়া বৈঠক, মিছিল, বুধিয়া প্রচার, স্থানীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা এবং তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরবেন।বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি, বেকারত্ব ও দমননীতির মতো ইস্যুতে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে—আর সেই জায়গায় পৌঁছতেই এই টানা প্রচার।

সুকান্ত মজুমদারের দাবি—১০টি বড় কর্মসূচির আবেদন
বৈঠক শেষে BJP সাংসদ ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জানান, রাজ্য নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০টি বিভাগের জন্য ১০টি বড় কর্মসূচির আবেদন করেছিল। ইতিমধ্যে তিনটিতে অনুমোদন মিলেছে, বাকি বিভাগগুলোতেও দ্রুত কর্মসূচি নেওয়া হবে।তাঁর বক্তব্য, ডিসেম্বর থেকে রাজ্যের রাজনৈতিক হাওয়া বদলে যেতে শুরু করবে এবং বিজেপি এই প্রচারের মাধ্যমেই মাঠ তৈরি করতে চায়।
তৃণমূলের কটাক্ষ—“দিল্লির নেতায় ভোট জেতা যায় না”
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির এই প্রচারকে কটাক্ষ করে বলেছে, “প্রতি ভোটের আগেই দিল্লির নেতাদের উড়িয়ে আনে বিজেপি, কিন্তু বাংলায় সংগঠন দুর্বল বলে লাভ হয় না।” তৃণমূলের দাবি—বাংলার মানুষ ‘বাইরের নেতাদের’ প্রচারে আস্থা রাখে না এবং স্থানীয় ইস্যুতেই তৃণমূলের জনসমর্থন বেশি।তৃণমূলের বক্তব্য, “রাজনীতিতে মাটির সংযোগই আসল, আর সেটা বিজেপির নেই।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ডিসেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে টানা প্রচার শুরু করতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক সফরে রাজ্যে এসে পথসভা ও কর্মসূচি করবেন। প্রতিটি বিধানসভায় তিন দিনের প্রবাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।








