রুপোলি পর্দায় বীরু ও বাসন্তীর রসায়ন যেমন দর্শকের হৃদয় জয় করেছিল, তেমনই বাস্তব জীবনেও ধীরে ধীরে গাঢ় হয়েছিল ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর সম্পর্ক। 'শোলে' ছবির একটি দৃশ্যের শুটিংকে ঘিরে ধর্মেন্দ্রর করা এক মজার কাণ্ড আজও বলিউডের অন্যতম আলোচিত প্রেমের গল্প হিসেবে পরিচিত।
![]()
শোলে-র সেটেই গাঢ় হয় সম্পর্ক
১৯৭৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'শোলে' শুধু ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে মাইলফলক নয়, ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর ব্যক্তিগত জীবনেও এই ছবির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ছবিতে বীরু ও বাসন্তীর রসায়নের আড়ালেই বাস্তব জীবনের প্রেম আরও গভীর হয়ে ওঠে।
স্পটবয়দের ঘুষ দিয়ে বাড়িয়েছিলেন শুটিং
জনপ্রিয় একটি ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ছবির সেই বিখ্যাত দৃশ্যে বীরু যখন বাসন্তীকে রিভলবার চালানো শেখাচ্ছেন, তখন হেমাকে জড়িয়ে ধরার সুযোগ বারবার পেতে চাইতেন ধর্মেন্দ্র। সেই কারণেই নাকি সেটের স্পটবয়দের প্রত্যেককে ২০ টাকা করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে ইচ্ছাকৃতভাবে ছোটখাটো ভুল হয় এবং একই দৃশ্য বারবার রিটেক দিতে হয়।প্রচলিত এই কাহিনি অনুযায়ী, এমন রিটেকের জন্য ধর্মেন্দ্রর প্রায় ২,০০০ টাকা খরচ হয়েছিল। যদিও এ ঘটনার কোনও আনুষ্ঠানিক প্রমাণ নেই, দীর্ঘদিন ধরেই এটি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় প্রেমের উপাখ্যান হিসেবে প্রচলিত।
![]()
প্রেম থেকে বিয়ে
সে সময় ধর্মেন্দ্র ইতিমধ্যেই প্রকাশ কৌরের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। পরে হেমা মালিনীকে বিয়ে করার জন্য তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। ১৯৮০ সালে তাঁদের নিকাহ সম্পন্ন হয় এবং পরে হেমা মালিনীর পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও পালন করা হয়।
![]()
আজও অটুট সম্পর্ক
বিয়ের পরও ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী আলাদা বাড়িতে থাকলেও তাঁদের সম্পর্কের দৃঢ়তা নিয়ে বহুবার আলোচনা হয়েছে। তাঁদের দুই মেয়ে—এষা দেওল ও অহনা দেওল। পাশাপাশি ধর্মেন্দ্র তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওলের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
![]()
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর প্রেমের গল্প আজও অনুরাগীদের কাছে সমান আকর্ষণীয়। 'শোলে' ছবির শুটিং চলাকালীন হেমা মালিনীকে আরও বেশি সময় কাছে পাওয়ার জন্য স্পটবয়দের ঘুষ দেওয়ার ঘটনাই আবার নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে।









