পবিত্র Eid al-Fitr ঘিরে যখন গোটা শহর উৎসবের আমেজে মেতে ওঠে, তখন খাবারের তালিকায় সবার প্রথমেই থাকে বিরিয়ানি। আর কলকাতার খাদ্যরসিকদের কাছে এই নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে Aminia। প্রায় এক শতাব্দীর ঐতিহ্য ধরে রেখে, এই বছরও ইদের বিশেষ মেনুতে চমক দিচ্ছে এই রেস্তোরাঁ।
ইদ স্পেশ্যাল মেনুতে রাজকীয় ছোঁয়া
ইদের বিশেষ মেনুতে রয়েছে একাধিক লোভনীয় মুঘলাই পদ। চিকেন ও মাটনের মুর্গ মুসাল্লাম, রান-এ-মুসাল্লাম, রান-এ-সিকান্দ্রি—সবকিছুই দই ও সুগন্ধি মশলার সমৃদ্ধ ম্যারিনেডে তৈরি। এই সব খাবার শুধু স্বাদের দিক থেকেই নয়, উৎসবের আবহও বহন করে, যা ইদের আনন্দকে দ্বিগুণ করে তোলে।
মিষ্টিমুখে ইদের পূর্ণতা
ইদের উদযাপন মিষ্টি ছাড়া অসম্পূর্ণ। সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে আমিনিয়ার মেনুতে রয়েছে সেমাই, ভার্মিসেলি ডেজার্ট এবং সুস্বাদু শাহী টুকরা। প্রতিটি ডেজার্টেই রয়েছে উৎসবের বিশেষ ছোঁয়া, যা খাবারের শেষে এনে দেয় এক অন্যরকম তৃপ্তি।
ইদের সময় ও ধর্মীয় তাৎপর্য
রমজান মাসের শেষে পালিত হয় Eid al-Fitr, যা ‘উপবাস ভাঙার উৎসব’ নামেও পরিচিত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ইদের দিন নির্ধারিত হয়। ভারতে সাধারণত রমজানের সমাপ্তির পরদিনই উদযাপিত হয় এই উৎসব।
গ্যাস সঙ্কটেও পরিষেবায় নেই ছেদ
বর্তমান সময়ে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্কট নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, তখন প্রশ্ন উঠেছিল—এই পরিস্থিতিতে কি স্বাভাবিক পরিষেবা বজায় রাখতে পারবে আমিনিয়া?
রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার পেলেও সুচিন্তিত পরিকল্পনার মাধ্যমে রান্নার কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কিছু আউটলেটে কয়লাভিত্তিক রান্না ও উচ্চ ক্ষমতার ইন্ডাকশন ব্যবস্থাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
উৎসব মানেই একসঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়া
রেস্তোরাঁর কর্তা ও আধিকারিকদের মতে, ইদ শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি শহরের মানুষের মিলনমেলা। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এই সময় একত্রিত হন এবং বিরিয়ানি সেই মিলনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে।
ইদের উৎসব মানেই বিরিয়ানি আর মিষ্টিমুখ। গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্কট সত্ত্বেও কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ আমিনিয়া তাদের স্বাদ ও পরিষেবায় কোনও খামতি রাখেনি। বিশেষ মুঘলাই পদ ও ডেজার্ট দিয়ে ইদকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে প্রস্তুত তারা।













