নতুন ভাবনা আর সৃজনশীলতার মিশ্রণে তৈরি এই হ্যান্ডক্রাফটেড জুয়েলারি এখন নববধূ থেকে ফ্যাশনপ্রেমী সকলের পছন্দের তালিকায়। গ্রামের মহিলাদের হাতে তৈরি পাট, কাপড়, পুঁতি ও অক্সিডাইজড মেটালের গয়না শুধু দেখাতেই সুন্দর নয়, প্রতিটিতে লুকানো হস্তশিল্পের সূক্ষ্ম ছোঁয়া একে করে তুলেছে বিশেষ।
দেশের নানা প্রান্তে জনপ্রিয়তা
গ্রাম থেকে শহর, রাজ্য পেরিয়ে এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই হ্যান্ডমেড জুয়েলারির চাহিদা। ডিজাইনের অভিনবত্ব ও সূক্ষ্ম হস্তশিল্পের ছোঁয়া প্রতিটি টুকরোকে করে তুলেছে অনন্য। অক্সিডাইজড থেকে সম্পূর্ণ হ্যান্ডমেড গয়না, সবেতেই মিলছে ইউনিক ডিজাইন এবং সৃজনশীলতার নিখুঁত পরিচয়।

বড়কুলগাছির মহিলাদের উদ্যোগ
পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপ অঞ্চলের বড়কুলগাছি গ্রামের স্বনির্ভর মহিলারা এই উদ্যোগে অনন্য নজির স্থাপন করছেন। উৎসবের মরশুমে এই গয়নাগুলি লখনউ, মুম্বই, রাজস্থান, কেরল, দিল্লি-সহ দেশের নানা প্রান্তে পাঠানো হচ্ছে।

আত্মনির্ভরতার নতুন দিশা
গ্রামের শম্পা মাঝি জানান, “সোনার দাম এখন অনেক বেশি, তাই সোনার গয়না কেনা অনেকের পক্ষেই কঠিন। কিন্তু আমাদের তৈরি হ্যান্ডমেড গয়নার চাহিদা দারুণ। এই কাজের মাধ্যমে ভালো রোজগার হয়।” এই উদ্যোগ গ্রামের মহিলাদের আত্মনির্ভরতার পথকে আরও সুদৃঢ় করছে।
সৌন্দর্য ও জীবিকার সমন্বয়
বড়কুলগাছির মহিলাদের তৈরি গয়নাগুলি গ্রাম ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গেছে। সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই শিল্প বহু পরিবারের জীবিকার পথ খুলেছে। সোনার গয়নার উচ্চমূল্যের মধ্যেও এই হ্যান্ডমেড জুয়েলারি নতুন আশার আলো ও রোজগারের সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।
পূর্ব বর্ধমানের বড়কুলগাছি গ্রামের মহিলাদের হাতে তৈরি হ্যান্ডমেড জুয়েলারি আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জনপ্রিয়। সোনা ও প্রথাগত গয়নার বিকল্প হিসেবে পাট, কাপড়, পুঁতি ও অক্সিডাইজড মেটালের গয়নার চাহিদা ক্রমবর্ধমান। ফ্যাশন সচেতনরা এগুলোকে নতুন ট্রেন্ড হিসেবে গ্রহণ করছেন।













