উপনির্বাচনে বিজেপি–কংগ্রেসের দুই আসন, জমকালো দাপট আঞ্চলিক দলগুলিরও

দেশজুড়ে উপনির্বাচনে বিজেপি ও কংগ্রেস দুটি করে আসন দখল করল। বাদ পড়ল না আঞ্চলিক দলও—পিডিপি, এমএনএফ ও আপ একাধিক কেন্দ্রে জয় পেয়েছে। বিহারে বিপর্যয় সত্ত্বেও জাতীয় স্তরে জমাট লড়াই।

উপনির্বাচন ফলাফল অনুযায়ী: বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি, কংগ্রেস ও আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে কড়া টক্কর দেখা গেছে। কোথাও দুই জাতীয় দল জয় পেলেও অনেক কেন্দ্রে নিজেদের অস্তিত্বকে আরও দৃঢ় করেছে আঞ্চলিক দলগুলি। রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় জয় পেল কংগ্রেস; জম্মু-কাশ্মীর, ওড়িশা ও মিজোরামে ছাপ ফেলেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। বিহারে বিজেপি–জেডিইউ জোটের কাছে পিছিয়ে পড়লেও সমগ্র দেশের ফলাফলে কংগ্রেস কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে।

উপনির্বাচনে বিজেপি–কংগ্রেসের দুই আসন, জমকালো দাপট আঞ্চলিক দলগুলিরও

বিভিন্ন রাজ্যে জাতীয় দলগুলির ভাগ্য নির্ধারণ

উপনির্বাচনে গোটা দেশের দৃষ্টি ছিল বিজেপি ও কংগ্রেসের দিকে। বিহারের নির্বাচনে জেডিইউ-বিজেপির কাছে ধাক্কা খেলেও কংগ্রেস তেলেঙ্গানার জুবিলি হিল ও রাজস্থানের আন্তা আসনে জয় তুলেছে। প্রমোদ জৈন ও নবীন যাদবের এই জয় কংগ্রেস শিবিরে কিছুটা হলেও উচ্ছ্বাস নিয়ে আসে।অন্যদিকে বিজেপিও সন্তোষজনক সাফল্য ধরে রেখেছে। জম্মু-কাশ্মীরের নাগরাকাটায় দেবায়নী রানা ও ওড়িশার নুয়াপাদায় জয় ঢোলাকিয়া বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

আঞ্চলিক দলগুলির উত্থান: রাজ্যভিত্তিক শক্তি আরও দৃঢ়

উপনির্বাচনের অন্যতম বড় বার্তা—আঞ্চলিক দলগুলির বাড়তি দাপট। পিডিপি জম্মু-কাশ্মীরের বাদগামে ২১,৫৭৬ ভোটে জয়ী হয়ে শক্ত বার্তা দিয়েছে। এই কেন্দ্রে বিজেপি ষষ্ঠ স্থানে নেমে আসে।অন্যদিকে মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এমএনএফ) মিজোরামের দাম্পা কেন্দ্রেও সহজেই জয় তুলে নেয়। তরণ তরণে আম আদমি পার্টির জয়ও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আঞ্চলিক খেলোয়াড়দের গুরুত্ব বাড়ছে।

উপনির্বাচনে বিজেপি–কংগ্রেসের দুই আসন, জমকালো দাপট আঞ্চলিক দলগুলিরও

বিহারে রাজনৈতিক টানাপোড়েন: তেজস্বীর ভাগ্য নিয়ে চূড়ান্ত কৌতূহল

বিহারের ভোটগণনা শুরু হতেই জমে ওঠে লড়াই। গেরুয়া ঝড়ে আরজেডির দুরবস্থা স্পষ্ট হলেও রাঘোপুরে তেজস্বী যাদব কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েন।২০১৫ ও ২০২০ সালে সতীশ কুমারকে হারালেও এ বার প্রথম থেকেই দুই প্রার্থীর মধ্যে রুদ্ধশ্বাস টক্কর শুরু হয়। তেজস্বী শেষমেশ নিজের আসন রক্ষা করতে পারবেন কি না, তা নিয়েই চূড়ান্ত উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়।

অতীত থেকে বর্তমান: রাঘোপুরে সতীশ কুমারের চ্যালেঞ্জ

রাঘোপুরে শাসক-বিরোধী লড়াই দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে রাবড়ি দেবীকে হারিয়ে নজর কেড়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী সতীশ কুমার। সেই ইতিহাসই আরও একবার ভোটযুদ্ধে উসকে দেয় উত্তেজনা।তেজস্বীর বিরুদ্ধে ফের লড়াইয়ে নেমে সতীশ কি এবারও চমক দেবেন—এ প্রশ্নে জোর চর্চা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে।

উপনির্বাচনে বিজেপি–কংগ্রেসের দুই আসন, জমকালো দাপট আঞ্চলিক দলগুলিরও

দেশজুড়ে উপনির্বাচনে বিজেপি ও কংগ্রেস দুটি করে আসন দখল করলেও আঞ্চলিক দলগুলিও বেশ ভালো ফল করেছে। বিহারে ধাক্কা খেলেও কংগ্রেস রাজস্থান ও তেলেঙ্গানায় জয় তুলেছে। জম্মু-কাশ্মীর, ওড়িশা, মিজোরাম ও পাঞ্জাবেও বিভিন্ন আঞ্চলিক দল শক্তিশালী উপস্থিতি দেখিয়েছে।

Leave a comment