মাত্র কয়েক মাস আগেই টি-২০ বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছিল ভারত। কিন্তু সেই দলই এখন যেন ছন্দহারা। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ হার, এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও টানা পরাজয় এবং এক ম্যাচে মাত্র ৭৬ রানে অলআউট—এই ফলাফলের পর ক্রিকেটমহলে উঠছে বড় প্রশ্ন। নতুন অধিনায়ক নির্বাচন কি দলের জন্য উল্টো ফল বয়ে আনছে?
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন থেকে ব্যর্থতার বৃত্তে ভারত
টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় দলের কাছে প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই একের পর এক ধাক্কা খেতে হয়েছে। আয়ারল্যান্ড সফরে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ার পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। দলের ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই ধারাবাহিকতা মিলছে না।
কেকেআরের পুরনো অধ্যায় ফের আলোচনায়
২০২৪ সালের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার এবং মেন্টর গৌতম গম্ভীর। যদিও সেই সময় থেকেই তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছিল। পরে শ্রেয়স অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যোগ দেন, আর গম্ভীর ভারতীয় দলের কোচ হন। সেই পুরনো সমীকরণই এখন নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে।
নেতৃত্ব নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন
শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে ভারত এখনও ধারাবাহিক সাফল্যের মুখ দেখেনি। একের পর এক হার এবং হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর অনেকেই মনে করছেন, অধিনায়ক ও কোচের মধ্যে কৌশলগত সমন্বয়ের অভাব দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব।
বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, টি-২০ দলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এখন নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে। সূর্যকুমার যাদবের পর শ্রেয়স আইয়ারকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে অন্য একটি অংশের মত, নতুন নেতৃত্বকে সময় দেওয়াই উচিত এবং কয়েকটি ম্যাচের ফল দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
এখন ঘুরে দাঁড়ানোই বড় পরীক্ষা
আগামী ম্যাচগুলো ভারতীয় দলের কাছে শুধু সিরিজ বাঁচানোর নয়, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ারও লড়াই। অধিনায়ক ও কোচের সমন্বয়, সঠিক দল নির্বাচন এবং মাঠে কার্যকর পরিকল্পনাই ঠিক করবে টিম ইন্ডিয়া কত দ্রুত ছন্দে ফিরতে পারে।
আয়ারল্যান্ড সফরে ব্যর্থতার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিক পরাজয়। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতীয় টি-২০ দলের এমন পারফরম্যান্সে প্রশ্নের মুখে বিসিসিআইয়ের নেতৃত্ব নির্বাচন। শ্রেয়স আইয়ার ও গৌতম গম্ভীরের সমীকরণ নিয়েও শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।










