আইপিএল ২০২৬-এ ৪৬টি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্লে-অফের লড়াই আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ৩ মে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে পরাজিত করে এবং গুজরাট টাইটান্স পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নেয়।
পাঞ্জাব কিংস ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। প্লে-অফে পৌঁছাতে তাদের অন্তত ১৬ পয়েন্ট প্রয়োজন, যার জন্য বাকি ৫ ম্যাচের মধ্যে কমপক্ষে ২টি জিততে হবে। একাধিক দল ১৬ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারে, ফলে নেট রান রেট (এনআরআর) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে এবং যোগ্যতা অর্জনের জন্য তাদেরও অন্তত ২টি জয় প্রয়োজন। দলটি ১৮ পয়েন্টে পৌঁছালে প্লে-অফে জায়গা প্রায় নিশ্চিত হবে।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস উভয়েরই ১২ পয়েন্ট রয়েছে। হায়দরাবাদ ১০ ম্যাচে ৬টি জয় পেয়েছে এবং রাজস্থানেরও একই রেকর্ড। ১৬ পয়েন্টে পৌঁছাতে এই দলগুলিকে অন্তত ২টি ম্যাচ জিততে হবে এবং ১৮ পয়েন্টে পৌঁছাতে ৩টি জয় প্রয়োজন। গুজরাট টাইটান্স ১০ ম্যাচে ৬টি জয় নিয়ে ১২ পয়েন্ট অর্জন করেছে। তারা বাকি ৪ ম্যাচের মধ্যে ২টি জিতলে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারে এবং ৩টি জয় তাদের প্লে-অফে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে পারে।

চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালস উভয়েরই ৯ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট রয়েছে। প্লে-অফে উঠতে তাদের ১৬ পয়েন্টে পৌঁছাতে হবে, যার জন্য বাকি ৫ ম্যাচের মধ্যে ৪টি জয় প্রয়োজন। ১৮ পয়েন্টে পৌঁছাতে হলে সব ম্যাচ জেতা বাধ্যতামূলক।
কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। প্লে-অফে টিকে থাকতে তাদের বাকি ৫টি ম্যাচই জিততে হবে, যা তাদের ১৭ পয়েন্টে নিয়ে যেতে পারে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ৯ ম্যাচে মাত্র ২টি জয় নিয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে এবং তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য পয়েন্ট ১৪, যা প্লে-অফের জন্য যথেষ্ট নয় বলে ধরা হচ্ছে।
লখনউ সুপার জায়ান্টস ৮ ম্যাচে ২টি জয় নিয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে এবং তাদের এখনও গাণিতিক সম্ভাবনা রয়েছে। দলটি যদি বাকি সব ম্যাচ জেতে, তাহলে ১৬ পয়েন্টে পৌঁছাতে পারে, যদিও এই পথ কঠিন।









