যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মৃত্যু মামলা: গত বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানের সময় ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীকে অচৈতন্য অবস্থায় জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। তবে ছাত্রীর পাকস্থলীতে মদের গন্ধ পাওয়া গেছে। ভিসেরা রিপোর্ট পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাচ্ছে না। পুলিশ এখন ঘটনাস্থল থেকে সম্ভাব্য সব সূত্র খুঁজছে, দুর্ঘটনা নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে জলে ফেলা হয়েছে।

রহস্যজনক মৃত্যুতে চাঞ্চল্য বিশ্ববিদ্যালয়ে
হঠাৎ এক ছাত্রীর মৃত্যুতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশে আতঙ্ক এবং ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সহপাঠীরা স্তম্ভিত। অধ্যাপকরা প্রশ্ন তুলছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল কি না। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক ইঙ্গিত
মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়েছে, ছাত্রী সম্ভবত ডুবে মারা গিয়েছেন। তবে পাকস্থলীতে মদের গন্ধ মিলেছে। ছাত্রীর নেশাগ্রস্ত অবস্থা নিয়ে সন্দেহ জেগেছে। ভিসেরা পরীক্ষার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ ছিলেন কি না।

পুলিশের বৈজ্ঞানিক তদন্ত
লালবাজার থেকে সায়েন্টিফিক উইং এসে ঘটনাস্থল পরীক্ষা করেছে। গাছ, রেলিং এবং আশেপাশে কোনও আঙুলের ছাপ বা চিহ্ন আছে কি না তা খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। প্রায় ২৫ মিনিট ধরে পুলিশ গোটা জায়গা পর্যবেক্ষণ করে।
দুর্ঘটনা নাকি ইচ্ছাকৃত ধাক্কা?
প্রশ্ন উঠছে, ছাত্রী কি ফসকে পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি কাউকে ধাক্কা মেরে তাঁকে জলে ফেলা হয়েছিল? প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি এবং সিসিটিভি ফুটেজের উপর নির্ভর করছে তদন্তের পরবর্তী ধাপ।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী রহস্যজনকভাবে মৃত্যুর পর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয় থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হলেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ এখন খুঁজে দেখছে, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি কোনও বড় ষড়যন্ত্রের অংশ।








