শ্রাবণ মাস এলেই জলপাইগুড়ির ঐতিহাসিক জল্পেশ মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে বাবা মহাদেবের মাথায় জল ঢালতে হয়। এবার সেই সমস্যার সমাধানে বড় পদক্ষেপ নিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। চালু হয়েছে অনলাইন টিকিট বুকিং পরিষেবা, যার মাধ্যমে বাড়িতে বসেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বুকিং করা যাবে।
শ্রাবণে ভিড় নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ
উত্তরবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় শৈবতীর্থ জল্পেশ মন্দিরে শ্রাবণ মাসে প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থীর সমাগম হয়। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় ভক্তদের।
এই পরিস্থিতি সামাল দিতেই এবার ডিজিটাল পরিষেবা চালু করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। অনলাইনে আগাম বুকিংয়ের মাধ্যমে ভক্তরা নিজেদের সুবিধামতো দিন ও সময় নির্বাচন করে পুজোর পরিকল্পনা করতে পারবেন।
কীভাবে করবেন অনলাইন বুকিং?
অনলাইনে টিকিট বুক করতে হলে নির্ধারিত বুকিং পোর্টালে গিয়ে ‘জল্পেশ মন্দির’ সার্চ করতে হবে। এরপর নিজের পছন্দের তারিখ ও সময় নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করলেই বুকিং সম্পন্ন হবে।
বুকিংয়ের সময় যে তথ্যগুলি লাগবে—
আবেদনকারীর নাম
বৈধ পরিচয়পত্রের তথ্য
মোবাইল নম্বর
ই-মেল আইডি
টিকিটের দাম কত?
মন্দির কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত অনলাইন টিকিটের মূল্য ৪০ টাকা।
বুকিং সম্পন্ন হওয়ার পরে টিকিটের হার্ড কপি প্রিন্ট করে সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে, যাতে মন্দিরে প্রবেশের সময় কোনও সমস্যা না হয়।
অফলাইন টিকিটের ব্যবস্থাও থাকছে
যাঁরা অনলাইনে বুকিং করতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁদের জন্য অফলাইন টিকিট কাউন্টারও চালু রাখা হয়েছে। ফলে সরাসরি মন্দিরে গিয়েও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আসাম, বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই দ্বৈত ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
ভক্তদের কী সুবিধা হবে?
নতুন বুকিং ব্যবস্থার ফলে—
দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার সময় কমবে।
নির্দিষ্ট সময়ে পুজো দেওয়া সহজ হবে।
ভিড় নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।
ভক্তদের যাতায়াত ও সময় পরিকল্পনা আরও সহজ হবে।
স্থানীয়দের মতে, অনলাইন ও অফলাইন—দুই ব্যবস্থাই চালু থাকায় ভক্তদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
শ্রাবণ মাসে জল্পেশ মন্দিরে ভক্তদের ভিড় সামাল দিতে চালু হয়েছে অনলাইন টিকিট বুকিং ব্যবস্থা। মাত্র ৪০ টাকায় ঘরে বসেই নির্দিষ্ট দিন ও সময়ের স্লট বুক করা যাবে। পাশাপাশি অফলাইন টিকিটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।











