উত্তর প্রদেশের কানপুরে একটি ঘটনায় হাসপাতাল থেকে পালানো এক অভিযুক্ত শেষ পর্যন্ত তার নিজের বন্ধুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত একটি অপরাধমূলক মামলায় আহত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তার পায়ে গুলি লেগেছিল এবং সেই কারণে তার চিকিৎসা চলছিল। এই সময় সে সুযোগ নিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় এবং লুকিয়ে থাকার জন্য এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছে পৌঁছায়।
বন্ধুর কাছে পৌঁছানোর সময় সে টলমল করছিল এবং তাকে আতঙ্কিত অবস্থায় দেখা যায়। সে বন্ধুকে বলে, “আমাকে বাঁচাও।” কিন্তু বন্ধুটি যখন তার পায়ে গুলির আঘাত দেখতে পায় এবং তার অবস্থা বুঝতে পারে, তখন সন্দেহ হয় যে সে কোনও গুরুতর অপরাধে জড়িত।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে বন্ধু সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে তথ্য দেয়। সে ক্রাইম ব্রাঞ্চকে পুরো ঘটনার কথা জানায় এবং অভিযুক্তের অবস্থানও শেয়ার করে।
তথ্য পাওয়ার পর ক্রাইম ব্রাঞ্চের দল সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে এবং সে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নজরে ছিল। হাসপাতাল থেকে পালানোর পর তার খোঁজ চলছিল, কিন্তু তার নিজের ঘনিষ্ঠের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে দ্রুত ধরা সম্ভব হয়।
গ্রেফতারের পর পুলিশ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং সে কোন মামলায় আহত হয়েছিল এবং তার সঙ্গে কারা জড়িত ছিল তা জানার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, হাসপাতাল থেকে পালাতে তাকে কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন এবং বন্ধুর সিদ্ধান্তকেও সমর্থন করেছেন, যিনি সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনা সমাজে এই বার্তা দেয় যে অপরাধীদের শেষ পর্যন্ত আইনের সামনে জবাবদিহি করতে হয়।











