কর্নাটকে ডি কে শিবকুমারের মন্ত্রিসভায় দপ্তর বণ্টন ঘোষণা

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টনের ঘোষণা করেছেন। তিনি অর্থ, মন্ত্রিসভা বিষয়ক, গোয়েন্দা এবং কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর নিজের কাছে রেখেছেন, পাশাপাশি অন্যান্য মন্ত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।

কর্নাটকে নতুন সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন। নতুন দপ্তর বণ্টন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত দপ্তরের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন, আর অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

ডি কে শিবকুমার নিজের কাছে অর্থ, মন্ত্রিসভা বিষয়ক, গোয়েন্দা (ইন্টেলিজেন্স) এবং কর্মী ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর রেখেছেন। এর ফলে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণে তাঁর সরাসরি ভূমিকা থাকবে। এই দপ্তরগুলির মাধ্যমে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, নীতি প্রণয়ন এবং সরকারি প্রশাসনিক কাঠামোর পরিচালনায় তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবেন।

কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্ক খাড়গেকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তবে গোয়েন্দা শাখা এর আওতায় থাকবে না। পাশাপাশি তাঁকে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), জৈবপ্রযুক্তি এবং ই-গভর্ন্যান্স দপ্তরের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

উপমুখ্যমন্ত্রী জি. পরমেশ্বরকে রাজস্ব এবং ক্রীড়া দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব দপ্তর রাজ্যের আর্থিক কাঠামো এবং ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক।

যতীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়াকে নগর উন্নয়ন দপ্তর, কে. এইচ. মুনিয়াপ্পাকে খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তর, কে. জে. জর্জকে শক্তি ও পর্যটন দপ্তর, এম. বি. পাটিলকে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প এবং অবকাঠামো উন্নয়ন দপ্তর, রামলিঙ্গা রেড্ডিকে বৃহৎ ও মাঝারি সেচ দপ্তর, সতীশ জারকিহোলিকে গণপূর্ত দপ্তর (পিডব্লিউডি), কৃষ্ণা বাইরে গৌড়াকে গ্রেটার বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তর, ইউ. টি. খাদারকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, ঈশ্বর খাণ্ড্রেকে গ্রামীণ উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত রাজ দপ্তর, বাইরাথি সুরেশকে পরিবহণ দপ্তর এবং শরণ প্রকাশ পাটিলকে চিকিৎসা শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের অধীনেই থাকবে। এর ফলে রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে।

 

Leave a comment