Kasba Hotel Murder: কলকাতার কসবার একটি হোটেলে বীরভূমের দুবরাজপুরের বাসিন্দা আদর্শ লোসালালকারের (৩৩) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বড় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনা ঘটে ২১ নভেম্বর রাতে, যখন আদর্শের সঙ্গে ধ্রুব মিত্র ও কামাল সাহা হোটেলের ঘরে ছিলেন বলে পুলিশের ধারণা। কেন খুন করা হল—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে তদন্তকারীরা পেয়েছেন ধস্তাধস্তির প্রমাণ, চুরি করা ফোন, মানিব্যাগ এবং নগদ টাকা তোলার তথ্য। সোমবার দু’জন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হবে বলে জানা গেছে।

হোটেল রুম থেকে উদ্ধার দেহ, তদন্ত শুরু
কসবার হোটেলের ঘর থেকে আদর্শ লোসালালকারের দেহ উদ্ধারের পর থেকেই রহস্য ঘনীভূত হয়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়—২১ তারিখ রাত সাড়ে ন’টার সময়ে তিনজন একসঙ্গে ঢুকেছেন। পরে রাত দু’টো নাগাদ ধ্রুব ও কামালকে হোটেল ছাড়তে দেখা যায়।পুলিশ প্রথম থেকেই সন্দেহ করছিল যে ঘরের ভেতরে কিছু ঘটেছিল। সেই সন্দেহ ধীরে ধীরে সত্যিতে রূপ নিচ্ছে।
ধস্তাধস্তির প্রমাণ মিলল তদন্তে
পুলিশের হাতে থাকা প্রাথমিক মেডিক্যাল রিপোর্টে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে তিনজনের মধ্যে শারীরিক ধস্তাধস্তি হয়েছিল। ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া গেছে।তদন্তকারীদের মতে, কোনও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা আর্থিক বিবাদের জেরেই সংঘর্ষ ঘটে থাকতে পারে।

মোবাইল–মানিব্যাগ চুরি, টাকাও তোলেন অভিযুক্তরা
পুলিশ সূত্রে খবর, ধ্রুব মিত্র ও কামাল সাহা হোটেল ছাড়ার সময় আদর্শের দুটি ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যান।উল্টোডাঙা এলাকায় গিয়ে অভিযুক্তরা একটি অ্যাপ বাইকে চেপে আদর্শের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৭ হাজার টাকা তোলেন।এই আর্থিক লেনদেনই বর্তমানে পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ।
অভিযুক্তদের পরিচয় ও গ্রেফতার
কামাল সাহার বাড়ি ব্যারাকপুরে, ধ্রুব মিত্রের বাড়ি নদিয়ায়। দু’জনই দমদমে লিভ-ইনে থাকতেন।তাদের জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।সোমবার দু’জনকে আদালতে তোলা হবে এবং হেফাজতের আবেদন জানাবে পুলিশ।

কসবার একটি হোটেলে আদর্শ লোসালালকারের রহস্যময় মৃত্যু ঘিরে নতুন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ধ্রুব মিত্র ও কামাল সাহাকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু মিলেছে বলে সূত্রের খবর। তিনজনের মধ্যে সংঘর্ষের প্রমাণ, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র চুরি ও নগদ টাকা তোলার তথ্য তদন্তকে নতুন দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।









