কলকাতার রাজভবন: শনিবার থেকে কলকাতার প্রখ্যাত রাজভবন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘লোকভবন’ নামে পরিচিত হবে। কী হলো: ঐতিহাসিক ভবনের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের নির্দেশে নেওয়া হয়েছে। কোথায়: কলকাতা ও দার্জিলিংয়ে। কখন: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। কে: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। কেন: ভবনটিকে সাধারণ মানুষের জন্য প্রতীকী ও আরও সুলভ করতে এবং জনসাধারণের প্রতি আরও সমর্পিত প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে।

ইতিহাস ও স্থাপত্য
কলকাতার রাজভবন: এই ভবনটি ১৮০৩ সালে নির্মিত হয়। ব্রিটিশ গভর্নর-জেনারেল ওয়েলেসলির নির্দেশে এটি নির্মিত হয় এবং ইংল্যান্ডের কেডলস্টন হলের নকশার অনুকরণে তৈরি। এখানে মোট ৯০টি কক্ষ এবং ৮৪,০০০ বর্গফুট এলাকা রয়েছে। ২৭ একর বাগানের মধ্যে বিস্তৃত এই ভবন কলকাতার প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের প্রতীক।
নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে শনিবার থেকে রাজভবনের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ‘লোকভবন’ করা হয়েছে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজে পুরনো তিন অক্ষর ‘রাজ’ সরিয়ে নতুন তিন অক্ষর ‘লোক’ বসিয়েছেন। এই পরিবর্তনের লক্ষ্য ভবনটিকে সকল নাগরিকের জন্য প্রতীকী ও উন্মুক্ত করা।

সার্বজনীন বার্তা ও প্রতিক্রিয়া
রাজ্যপাল সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন যে ‘লোকভবন’ নামটি জনগণের প্রত্যাশা, চাহিদা এবং সমস্যাগুলি বিবেচনা করে নির্বাচন করা হয়েছে। এটি ভবনটিকে জীবন্ত এবং সাধারণ মানুষের জন্য খোলা করার প্রচেষ্টা। একই দিনে ভবনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের নামও পরিবর্তিত হয়েছে।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
নাম পরিবর্তনের পর, ভবনের সকল কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাজ এখন থেকে ‘লোকভবন’ নামে পরিচালিত হবে। লক্ষ্য প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে আরও ভালো সম্পর্ক স্থাপন করা এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা।

কলকাতার রাজভবন: কলকাতার ঐতিহাসিক রাজভবন এখন থেকে ‘লোকভবন’ নামে পরিচিত হবে। কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী নাম পরিবর্তন শনিবার থেকে কার্যকর। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজে এই পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ভবনটিকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও উন্মুক্ত ও প্রতীকী করা।









