অভিযান: শনিবার পূর্ব বর্ধমানের কুলটিতে CISF হঠাৎ অভিযানে হোটেলের পিছন থেকে প্রায় ৫০০ টন কয়লা উদ্ধার করে। ঘটনাটি ঘটে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশেই, যেখানে দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনকভাবে কয়লা মজুত করা হচ্ছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। CISF এই বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি। তবে সূত্রের খবর—চুরি করা কয়লা রাতের বেলায় ট্রাকে তুলেই বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হত। ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও CISF যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

হোটেলের পিছনেই বিশাল কয়লার স্তূপ, চমকে CISF
শনিবার সকালেই CISF-এর একটি দল কুলটিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হানা দেয়।১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশের একটি হোটেলের পিছনে চোখে পড়ে বিশাল পরিমাণ কয়লা—যার ওজন প্রায় ৫০০ টন।হঠাৎ এত পরিমাণ কয়লা দেখে CISF-ও প্রথমে হতবাক হয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান,রাতের বেলা বড় বড় ট্রাক ঢুকত। কী নামানো হত কেউ জানতাম না।”
মজুতদার কারা? CISF নীরব, সন্দেহ পাচার চক্রের
এত বড় পরিমাণ কয়লা কারা এনেছিল, কীভাবে এনেছিল—তা এখনও পরিষ্কার নয়।
CISF কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। তারা শুধুই জানায়—
“তদন্ত চলছে।তবে স্থানীয় সূত্র, পুলিশের একটি অংশ ও CISF-র অভ্যন্তরীণ মহলের দাবি—
কয়লাগুলি নিকটবর্তী খনি এলাকা থেকে চুরি করে আনা হয়েছিল
দিনের বেলা লুকিয়ে রাখা হত
রাতে ট্রাকে করে পাচারের জন্য পাঠানো হত
এলাকার মানুষের কথায়,
“অনেকদিন ধরে সন্দেহ ছিল, কিন্তু কেউ মুখ খুলত না।

কয়লা চুরি–পাচারের ‘হটস্পট’ কুলটি অঞ্চলে আবার সক্রিয় চক্র?
কুলটি ও অন্ডালের আশপাশ বহু বছর ধরেই কয়লা পাচারের রাজ্য হিসেবে কুখ্যাত।CISF, ECL ও স্থানীয় পুলিশের আগেও বহু অভিযান হয়েছে।তবুও পাচার চক্র আবার সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।সাম্প্রতিক সময়ে কয়লা ট্রাকের চলাচল বাড়ায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছিল।এই অভিযানে এত বড় মজুত ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর আবার প্রশ্ন উঠছে—কোনও বড় নেটওয়ার্ক কি সক্রিয় হয়েছে?
তদন্তে CISF ও স্থানীয় প্রশাসন, বাড়ছে জেরা ও নজরদারি
CISF বাজেয়াপ্ত করা কয়লার নমুনা সংগ্রহ করেছে।
পাশাপাশি, আশপাশের হোটেল, দোকান, ট্রাকচালক ও স্থানীয়দেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
প্রশাসনের মতে—
এলাকায় কোন ট্রাক ঢুকেছিল
কারা জমি বা জায়গা ভাড়া দিয়েছিল
কোন খনি থেকে কয়লা চুরি হয়েছে
এসবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শনিবার কুলটির ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে এক হোটেলের পিছনে CISF অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ টন কয়লা বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা কয়লাগুলি মজুত করেছিল তা এখনো স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক সূত্রের দাবি, খনি এলাকা থেকে চুরি করে রাতের অন্ধকারে পাচারের জন্য কয়লা জমা করা হয়েছিল।









