বর্ষার বিকেলে চপ-বেগুনিকে ছুটি দিন! ৪ উপকরণেই বানান বীরভূমের মুচমুচে নারকেল-পোস্ত বড়া

বর্ষার বিকেলে চায়ের সঙ্গে চেখে দেখুন বীরভূমের নারকেল-পোস্ত বড়া। পোস্ত, নারকেল ও কাঁচালঙ্কা দিয়ে সহজে কীভাবে মুচমুচে বড়া বানাবেন, রইল সম্পূর্ণ রেসিপি।

বর্ষা মানেই জানলার ধারে বসে গরম চা আর সঙ্গে মুখরোচক ভাজাভুজি। কিন্তু প্রতিদিন আলুর চপ, পেঁয়াজি কিংবা বেগুনি খেতে খেতে একঘেয়েমি এলে এবার বদলে ফেলুন মেনু। বীরভূমের ঘরোয়া স্বাদের নারকেল-পোস্ত বড়া হতে পারে আপনার বিকেলের আড্ডার একেবারে নতুন সঙ্গী। সহজ উপকরণে অল্প সময়েই তৈরি করা যায় এই মুচমুচে পদ।

কী কী উপকরণ লাগবে?

নারকেল-পোস্ত বড়া তৈরির জন্য খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন নেই। লাগবে—

৪ টেবিল চামচ পোস্ত

৪ টেবিল চামচ তাজা নারকেল কোরা

২টি কাঁচালঙ্কা কুচি

স্বাদমতো নুন

সামান্য চিনি

ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো তেল

প্রথম ধাপে তৈরি করুন বড়ার মিশ্রণ

প্রথমে পোস্ত, নারকেল কোরা এবং কাঁচালঙ্কা একসঙ্গে বেটে নিন। মিশ্রণ তৈরির সময় বেশি জল দেবেন না। মিশ্রণ যতটা ঘন থাকবে, বড়ার আকার দেওয়া ততটাই সহজ হবে এবং ভাজার পর সেটি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমবে।

নুন-চিনির ভারসাম্যেই আসল স্বাদ

এবার বাটা মিশ্রণের সঙ্গে স্বাদ অনুযায়ী নুন এবং অল্প চিনি মিশিয়ে ভাল করে মেখে নিন। পোস্তের হালকা তিতকুটে স্বাদ, নারকেলের মিষ্টি ভাব এবং কাঁচালঙ্কার ঝাঁজ—এই তিনের ভারসাম্যই এই বড়ার বিশেষত্ব।

কীভাবে ভাজবেন?

কড়াইয়ে তেল গরম করে মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে গোল বা চ্যাপ্টা বড়ার আকার দিন। এরপর মাঝারি আঁচে গরম তেলে ছেড়ে দিন। একপিঠ লালচে হয়ে এলে উল্টে অন্য পিঠটিও ভাল করে ভেজে নিন। দুই দিক সোনালি ও মুচমুচে হয়ে গেলে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন।

চায়ের সঙ্গে নাকি গরম ভাতে?

গরম গরম নারকেল-পোস্ত বড়া চায়ের সঙ্গে পরিবেশন করলে বিকেলের আড্ডা জমে উঠবে। চাইলে কাসুন্দি বা পছন্দের সসের সঙ্গেও খেতে পারেন। আবার গরম ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি বা মাখন দিয়েও এই বড়া বেশ জমে যায়।

বৃষ্টিভেজা বিকেলে চায়ের সঙ্গে নতুন কিছু খেতে ইচ্ছে করছে? ঘরে থাকা সামান্য উপকরণেই বানিয়ে ফেলতে পারেন বীরভূমের জনপ্রিয় নারকেল-পোস্ত বড়া। পোস্ত, নারকেল, কাঁচালঙ্কা আর সামান্য মশলার মিশেলে তৈরি এই বড়া বাইরে মুচমুচে, ভিতরে নরম এবং স্বাদে একেবারেই অন্যরকম।

Leave a comment