গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়লেই যে শুধু রান্নাঘরের খরচ বাড়ে তা নয়—তার প্রভাব পড়ে সরাসরি মানুষের থালিতে। বাণিজ্যিক LPG-র মূল্যবৃদ্ধির জেরে এবার রাস্তায় খাওয়া সাধারণ মানুষের কাছে বিলাসিতা হয়ে উঠছে।
‘আমাদের পেট কী করে ভরবে’—ক্ষোভ শ্রমিকদের
উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন-এ প্রান্তিক শ্রমিকদের কণ্ঠে এখন একটাই প্রশ্ন—খাবারের দাম এভাবে বাড়লে পেট ভরবে কীভাবে? আগে যেখানে ২০-৩০ টাকায় খাবার মিলত, এখন সেটাই ৪০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। তাও অনেক ক্ষেত্রে পরিমাণ কমে গেছে।
ব্যবসায়ীরাও চাপে, বাড়াতে হচ্ছে দাম
শুধু ক্রেতাই নয়, সমস্যায় পড়েছেন হোটেল, ঢাবা ও ঠেলাগাড়ির ব্যবসায়ীরাও। গ্যাসের খরচ বাড়ায় রান্নার খরচও বেড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে খাবারের দাম বাড়াতে হচ্ছে। অনেকেই জানাচ্ছেন, দাম বাড়ানোর পর ক্রেতার সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
সরাসরি প্রভাব পড়ছে থালিতে
কমার্শিয়াল LPG-র দাম বাড়ার ফলে খাবারের খরচ দ্রুত বেড়ে গেছে। আগে যে রাজমা-চাল ৩০ টাকায় মিলত, এখন সেটাই ৪০ টাকা। এই হারে বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের বাইরে খাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলেই আশঙ্কা।
ফাঁকা হচ্ছে রেস্টুরেন্ট, কমছে বিক্রি
মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানে ক্রেতার ভিড় কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, খরচ বাড়লেও আয় বাড়ছে না। ফলে তাদের লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে লোকসানের মুখেও পড়তে হচ্ছে।
সিলিন্ডারের নতুন দামেই চাপে বাজার
বর্তমানে ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৮৪১ টাকা এবং ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডার ৩১৫১.৫০ টাকায় পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধিই মূলত খাদ্যের দামে আগুন ধরাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
মে মাসের শুরুতেই বাণিজ্যিক LPG-র দাম বৃদ্ধির জেরে রাস্তাঘাটের খাবার থেকে শুরু করে হোটেল-ঢাবা—সব ক্ষেত্রেই বেড়েছে খরচ। ২০-৩০ টাকার খাবার এখন ৪০ টাকায় পৌঁছেছে, ফলে সাধারণ মানুষের উপর পড়েছে সরাসরি প্রভাব।











