লখনউয়ে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে। কয়েক দিন ধরে চলা তীব্র গরম ও লুর প্রভাবের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।
সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল এবং একাধিক এলাকায় শীতল বাতাস প্রবাহিত হয়। গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করায় জনজীবন প্রভাবিত হচ্ছিল। তবে আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের পর শহরে তুলনামূলক শীতল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও স্থানীয় আবহাওয়া ব্যবস্থার সক্রিয়তার কারণে উত্তর প্রদেশের একাধিক অংশে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে বলে ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে। বিভাগের অনুমান, ৩১ মে পর্যন্ত লখনউ ও সংলগ্ন এলাকায় আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকবে।
বৃষ্টির কারণে শহরের বিভিন্ন সড়কে জল জমেছে এবং কয়েকটি স্থানে যান চলাচল প্রভাবিত হয়েছে। লখনউয়ের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর মেঘলা পরিস্থিতি বজায় ছিল। তীব্র রোদ না থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও কমেছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপমাত্রা হ্রাসের প্রভাব মানুষের স্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হতে পারে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নিচে থাকতে পারে এবং মাঝেমধ্যে হালকা বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৪ জুনের পর আবহাওয়ায় পরিবর্তন এসে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
উত্তর প্রদেশের অন্যান্য জেলাতেও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির প্রভাবে তাপমাত্রা কমেছে। এর ফলে নৌতপার সময় চলা তীব্র গরমের প্রভাব কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। গরম কমলেও সর্দি-কাশি ও ভাইরাল সংক্রমণের ঘটনা বাড়তে পারে। শিশু ও প্রবীণদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ আবহাওয়া সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্যের দিকে নজর রাখতে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে। বিভাগের মতে, আগামী কয়েক দিন প্রবল বাতাস, মেঘলা আকাশ এবং হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় পর আবহাওয়ায় এই পরিবর্তন দেখা গেছে। টানা গরম ও লুর কারণে মানুষ সমস্যায় পড়েছিলেন। আবহাওয়াবিদদের মতে, জুনের প্রথম সপ্তাহের পর গরম আবার বাড়তে পারে এবং সে অনুযায়ী দৈনন্দিন জীবন ও স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।











