নরেন্দ্র মোদির জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তিতে মধ্যপ্রদেশ মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে মধ্যপ্রদেশে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন, বিজেপির পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং মোদির রাজনৈতিক যাত্রাপথের কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার মধ্যপ্রদেশে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী ড. মোহন যাদব মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি মোদির রাজনৈতিক যাত্রাপথ এবং তাঁর নেতৃত্বে নির্বাচনী সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করা এবং তাঁর নেতৃত্বে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন ছিল দেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক যাত্রাপথ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, মোদি যতবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, ততবারই মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন এবং যতবার সাংসদ হয়েছেন, ততবারই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপমুখ্যমন্ত্রী রাজেন্দ্র শুক্ল এবং জগদীশ দেবড়াও উপস্থিত ছিলেন।

ড. মোহন যাদব বলেন, ১৯৮৪ সালে ইন্দিরা গান্ধির হত্যার পর অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে সহানুভূতির ঢেউয়ের কারণে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সরকার গঠিত হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এর পর দেশের রাজনীতিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যখন জোট ছাড়া সরকার চালানো কঠিন বলে মনে করা হতো।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই সময় ভারতীয় জনতা পার্টি সম্পর্কেও এমন ধারণা ছিল যে দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবে না। এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণার পর বিজেপির পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা ছিল। তিনি এটিকে দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন হিসেবে তুলে ধরেন।

বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক এবং সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে মধ্যপ্রদেশ সরকার প্রধানমন্ত্রীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তির বিষয়টি তুলে ধরে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে মোদির রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, নির্বাচনী সাফল্য এবং ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার প্রসঙ্গ প্রাধান্য পায়।

 

Leave a comment