২০২৬ সালের West Bengal Assembly Elections 2026-এর ফলাফলে মালদহ জেলায় ভালো পারফরম্যান্স করেও রাজ্যস্তরের ভরাডুবির প্রভাব পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে। জয়ের পরেও হাসি নেই প্রার্থীদের মুখে, কর্মীদের মধ্যেও উচ্ছ্বাসে ভাটা।
জয় এল, কিন্তু আনন্দ এল না
মালদহ জেলার সুজাপুর, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতিপুর, রতুয়া ও মোথাবাড়ি—এই ছয়টি কেন্দ্রে জয় পেল All India Trinamool Congress। কিন্তু গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসার সময় জয়ী প্রার্থীদের মুখে দেখা গেল না সেই স্বাভাবিক উচ্ছ্বাস। বরং স্পষ্ট ছিল চাপা হতাশা।
রাজ্যস্তরের ফলেই মন খারাপ
জেলার ফল ভালো হলেও রাজ্যজুড়ে ১০০ আসনের গণ্ডি পেরোতে না পারা তৃণমূলের জন্য বড় ধাক্কা। সেই প্রভাবই পড়েছে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের উপর। অনেকেই জানান, “জয় হয়েছে ঠিকই, কিন্তু সামগ্রিক ফল আশানুরূপ নয়।”
প্রার্থীর মুখে স্বীকারোক্তি
সুজাপুর কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী Sabina Yasmin বলেন, “আমার জয় নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম। প্রায় ৬০ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু রাজ্যের এমন ফলাফল আশা করিনি। মানুষের রায় মাথা পেতে নিতে হবে।” তাঁর বক্তব্যেই স্পষ্ট হতাশার সুর।
বিজেপির উচ্ছ্বাসে রঙিন অন্য চিত্র
অন্যদিকে, হবিবপুর, গাজোল, মানিকচক, ইংরেজবাজার ও বৈষ্ণবনগর সহ একাধিক কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল Bharatiya Janata Party। সম্ভাব্য জয়ের আনন্দে সকাল থেকেই আবির খেলা, মিছিল এবং উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। ফলে একই জেলায় দুই ভিন্ন রাজনৈতিক আবহ চোখে পড়ে।
সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া
হরিশ্চন্দ্রপুরে তৃণমূল প্রার্থী বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও স্থানীয় সমর্থকরা জানান, রাজ্যের সামগ্রিক ফল ভালো না হওয়ায় আনন্দ প্রকাশে সংযম রাখা হয়েছে। “চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে”—এমন কথাও শোনা যায়।
মালদহ জেলায় ছয়টি আসনে জয় পেলেও রাজ্যজুড়ে আশানুরূপ ফল না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে উচ্ছ্বাসের অভাব স্পষ্ট। জয়ী প্রার্থীরাও স্বীকার করলেন, এই ফল প্রত্যাশিত ছিল না।











