ভোটের মুখে বড় ধাক্কা! মালদহ জেলার সুজাপুর বিধানসভা এলাকায় এক বুথে শতাধিক ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। Election Commission of India-এর অধীনে চলা তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় নথি জমা দেওয়ার পরও ৪২৭ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এক বুথে ৫২২ জন ‘বিচারাধীন’, তারপর বড়সড় ছাঁটাই
অভিযোগ, সুজাপুরের সিলামপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি বুথে মোট ৫২২ জন ভোটারের নাম এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় বিচারাধীন ছিল।
পরবর্তীতে তাঁদের আবার শুনানির জন্য ডাকা হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা নেন নির্বাচন আধিকারিকরা।
সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে বাদ ৪২৭ নাম!
সব নিয়ম মেনে নথি জমা দেওয়ার পরও প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় হঠাৎ করেই ৪২৭ জন ভোটারের নাম বাদ পড়ে যায় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
‘বছরের পর বছর ভোট দিয়েছি’, দাবি স্থানীয়দের
স্থানীয় বাসিন্দা মের আলী মহালদারের দাবি,
তিনি ও তাঁর পরিবার বহু বছর ধরে নিয়মিত ভোট দিয়ে আসছেন। ২০০২ সালের তালিকাতেও তাঁদের নাম ছিল।
তবুও এবারের তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় তাঁরা বিস্মিত ও হতাশ।
ভোটাধিকার খর্বের আশঙ্কা, গ্রামবাসীদের ক্ষোভ
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, একটি বুথে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এর ফলে বহু মানুষের ভোটাধিকার প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভোটের আগে এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া, তদন্তের দাবি জোরদার
স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজিউল মহালদার এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি কেন্দ্রীয় সরকার ও Election Commission of India-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, এটি গণতান্ত্রিক অধিকার খর্বের চক্রান্ত হতে পারে।
অন্যদিকে দ্রুত তদন্ত ও যথাযথ পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।
মালদহের সুজাপুরে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বড়সড় বিতর্ক। শুনানিতে নথি জমা দেওয়ার পরও সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে ৪২৭ জনের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।











