মরচা ধরবে না, বিল্ডিং থাকবে আগলে! বিষ্ণুপুরে সংস্থার পরিবেশবান্ধব শক্তিশালী রড বাজারে

বিষ্ণুপুরের এআরসি ইন্সুলেশনস উদ্ভাবন করল মরচা-প্রতিরোধী পরিবেশবান্ধব রড। কম দাম, বেশি স্থায়িত্ব ও সরকারি প্রকল্পে দ্রুত বাড়ছে চাহিদা।

ভবন নির্মাণে মরচা ধরা রড বরাবরই বড় বিপদ। সেই সমস্যারই কার্যকর সমাধান নিয়ে এসেছে নদিয়ার বিষ্ণুপুরের এআরসি ইন্সুলেশনস। সংস্থাটি তৈরি করেছে এমন এক বিশেষ ধাতব রড, যা বছরের পর বছর মরচা প্রতিরোধ করে ভবনের স্থায়িত্ব বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়। দাম কম, শক্তি বেশি—এমন দাবিতেই বাজারে সাড়া ফেলেছে এই পরিবেশবান্ধব রড।

মরচা-প্রতিরোধী রডে নতুন দিগন্ত, নজির গড়ল বিষ্ণুপুরের সংস্থা

বছরের পর বছর ধরে বিল্ডিংয়ের ভিতরে ধীরে ধীরে মরচা ধরলে কাঠামোর শক্তি কমে যায়। নির্মাণ সংস্থাগুলির কাছে এটি এক বড় মাথাব্যথা। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নদিয়ার বিষ্ণুপুরে অবস্থিত এআরসি ইন্সুলেশনস উদ্ভাবন করেছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এমন এক রড, যা সহজে মরচা ধরে না এবং দীর্ঘদিন ভবনের ভিতরের অংশকে রক্ষা করে।

মরচা ধরবে না, বিল্ডিং থাকবে আগলে! বিষ্ণুপুরে সংস্থার পরিবেশবান্ধব শক্তিশালী রড বাজারে

২২ বছরের অভিজ্ঞতায় প্রযুক্তির সাফল্য প্রমাণ করেছে সংস্থা

কোম্পানির দাবি, গত দুই দশকে বিভিন্ন সেতু, রাস্তা, ফ্লাইওভার, মেট্রো করিডরসহ বহু পরিকাঠামো প্রকল্পে এই রড ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রতিবারই তা সাধারণ লোহার তুলনায় অনেক বেশি কার্যক্ষমতা দেখিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী শক্তিক্ষমতা এবং কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ—এই দুই দিক থেকেই প্রযুক্তিটি ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে।

দাম সাশ্রয়ী, তাই হাতে-হাতে চাহিদা বাড়ছে

উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের পরও গ্রাহকের নাগালেই দাম। রডটির বাজার মূল্য প্রতি কেজি মাত্র ১৩২–১৫৫ টাকা। ফলে নির্মাণকারীরা কম খরচে বেশি নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব পাচ্ছেন—এটাই এর বাড়তি আকর্ষণ।

মরচা ধরবে না, বিল্ডিং থাকবে আগলে! বিষ্ণুপুরে সংস্থার পরিবেশবান্ধব শক্তিশালী রড বাজারে

ভারী প্রকল্পেও সফল প্রমাণ—বিশেষজ্ঞদের প্রশংসা

দীর্ঘ সময় ধরে লবণাক্ততা, স্যাঁতসেঁতে ভাব, ভূগর্ভস্থ পানির ক্ষয়—এসব প্রতিকূল পরিবেশেও রডটি কার্যক্ষমতা হারায় না। এজন্যই ভারী প্রকৌশল ক্ষেত্রেও এর চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, “ভবিষ্যতের পরিকাঠামো নির্মাণে এই ধরনের পরিবেশবান্ধব, শক্তিশালী রডই বড় ভূমিকা নেবে।”

পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি মেলাল ‘গো গ্রীন’ উদ্যোগের সঙ্গে

সাধারণ রড তৈরিতে যে পরিমাণ পরিবেশগত ক্ষতি হয়, এই রডে তা তুলনায় অনেক কম। ফলে দেশের ‘গো গ্রীন’ নীতির সঙ্গে এর ব্যবহার পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। অত্যাধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি রডকে করে তুলেছে নির্গমন-বান্ধব ও ভবিষ্যৎ-বান্ধব।

মরচা ধরবে না, বিল্ডিং থাকবে আগলে! বিষ্ণুপুরে সংস্থার পরিবেশবান্ধব শক্তিশালী রড বাজারে

লাইভ ডেমোতে হইচই, বিশেষ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন ডিরেক্টর মণীশ বাজোরিয়া

সম্প্রতি আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে কোম্পানির ডিরেক্টর মণীশ বাজোরিয়া একটি ছোট মডেলে পাইপ ও রড বসিয়ে দেখান—কীভাবে রডটি মরচা রোধ করে। তাঁর লাইভ ডেমো দেখে উপস্থিত অতিথিরা প্রযুক্তিটির প্রতি আরও আশ্বস্ত হন।

সরকারি প্রকল্পেও বাড়ছে ব্যবহার, যোগাযোগের ঠিকানা প্রকাশ

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক সরকারি প্রকল্পে ইতিমধ্যেই রডটির চাহিদা বেড়েছে। নির্মাণ সংস্থাগুলি ভবিষ্যতের বড় বড় প্রকল্পেও এটি ব্যবহার করতে আগ্রহী। কোনও বিশেষ প্রয়োজনে সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে—[email protected] ইমেলে

মরচা ধরবে না, বিল্ডিং থাকবে আগলে! বিষ্ণুপুরে সংস্থার পরিবেশবান্ধব শক্তিশালী রড বাজারে

নদিয়ার বিষ্ণুপুরে এআরসি ইন্সুলেশনস তৈরি করেছে বিশেষ ধাতব রড, যা ভবনের ভিতরে মরচা ধরতে দেয় না। দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, কম রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির কারণে রডটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দামও সরাসরি নাগালের মধ্যে—১৩২ থেকে ১৫৫ টাকা প্রতি কেজি।

Leave a comment