মঙ্গলবার পাটনার সেন্ট্রাল হলে অনুষ্ঠিত হতে চলা এনডিএ-র বৈঠককে বিহারের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠকে জোটের একাধিক প্রধান সহযোগী দলের নেতারা অংশ নেবেন, যার ফলে রাজনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই বৈঠকে নতুন সরকার গঠন, বিধায়ক দলনেতা নির্বাচন এবং মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও হাম (হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা) প্রধান জিতন রাম মাঞ্জি, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ান এবং জাতীয় লোক মোর্চার সভাপতি উপেন্দ্র কুশওয়াহার।
পাটনায় এই বৈঠকের আগে থেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এনডিএ-র সব শরিক দল নিজ নিজ স্তরে কৌশল চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সূত্রের মতে, বৈঠকটি কেবল আনুষ্ঠানিক নয়, বরং একাধিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দিক নির্ধারণ করতে পারে। নেতাদের পাটনায় আগমনের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে বিধায়ক দলনেতা নির্বাচন, মুখ্যমন্ত্রী পদে শরিক দলের ভূমিকা, মন্ত্রিসভায় আসন বণ্টন এবং জোটের ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে শরিক দলগুলি তাদের নিজ নিজ দাবি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরতে পারে, যার ভিত্তিতে ক্ষমতার ভারসাম্য চূড়ান্ত করা হতে পারে।
এনডিএ-র ছোট শরিক দলগুলির ভূমিকা এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মাঞ্জি, কুশওয়াহা এবং পাসওয়ান পরিবারের সঙ্গে যুক্ত দলগুলির রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাদের দাবি ও সম্মতির ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভা ও অন্যান্য রাজনৈতিক নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বৈঠকটি জোটের ঐক্যও পর্যালোচনার একটি ক্ষেত্র হতে পারে।
লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস)-এর সব বিধায়কও এই বৈঠকে অংশ নেবেন। দলীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে, বিধায়ক দলনেতার নেতৃত্বে পুরো দল বৈঠকে উপস্থিত থাকবে। দলটি এনডিএ-র মধ্যে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করার কৌশল গ্রহণ করেছে এবং সরকার গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালনের ইঙ্গিত দিয়েছে।












