নেভাডায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, ক্যালিফোর্নিয়ায় কম্পন; ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রায় প্রাণহানি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে একাধিক এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং ক্যালিফোর্নিয়াতেও ঝাঁকুনি রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবনের ক্ষতি, প্রাণহানি এবং সুনামির হালকা ঢেউয়ের ঘটনা সামনে এসেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে একাধিক এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে, যার নিশ্চিতকরণ করেছে United States Geological Survey। এই ভূমিকম্পটি সিলভার স্প্রিংসের কাছে আঘাত হানে, পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়াতেও হালকা কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ভবনের ক্ষতি হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে, ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে আতঙ্ক ও সতর্কতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

হঠাৎ ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেন। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

United States Geological Survey জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল নেভাডার সিলভার স্প্রিংসের কাছে এবং এর মাত্রা ছিল ৫.৭। আশপাশের এলাকাগুলোতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করে।

এদিকে ক্যালিফোর্নিয়াতেও ভূমিকম্পের কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে প্রথমে এর মাত্রা ৫.১ বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৪.৯ করা হয়। এই কম্পন বোল্ডার ক্রিকের কাছে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের গভীরতা প্রায় ১০.৯ কিলোমিটার বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, কম্পন বেশ তীব্র ছিল এবং কয়েক সেকেন্ড ধরে ভবনগুলো কেঁপে ওঠে।

অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই ভূমিকম্পটি সমুদ্রের নিচে সংঘটিত হয়, যার ফলে ভবনগুলো কেঁপে ওঠে এবং মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর সুলাওয়েসি অঞ্চলে একটি ভবন ধসে ৭০ বছর বয়সী এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। কিছু এলাকায় সুনামির হালকা ঢেউও দেখা গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

 

Leave a comment