বর্ষা মানেই টাটকা শাকসবজির সম্ভার। এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় পাটশাক। সাধারণত ভাজি বা ঝোল হিসেবে খাওয়া হলেও, একটু ভিন্ন স্বাদের জন্য বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন মচমচে পাটশাকের বড়া। কম সময়ে তৈরি হওয়া এই রেসিপি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

কেন খাবেন পাটশাক?
পাটশাক শুধু স্বাদেই নয়, স্বাস্থ্যগুণেও সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে—
ভিটামিন এ
ভিটামিন সি
আয়রন
ক্যালসিয়াম
খাদ্যআঁশ
নিয়মিত পাটশাক খেলে হজমশক্তি উন্নত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।
পাটশাকের বড়া তৈরির উপকরণ
১ আঁটি পাটশাক
১ কাপ বেসন
১টি মাঝারি পেঁয়াজ (কুচি)
২-৩টি কাঁচালঙ্কা (কুচি)
সামান্য হলুদ গুঁড়ো
লবণ স্বাদমতো
ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল
ইচ্ছা হলে সামান্য কালোজিরা বা ধনেপাতা কুচি

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে পাটশাক ভালোভাবে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর শাক ছোট ছোট করে কেটে একটি পাত্রে রাখুন।এবার বেসন, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচালঙ্কা, হলুদ গুঁড়ো ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে ঘন ব্যাটার তৈরি করুন। ব্যাটার যেন বেশি পাতলা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
ভাজার সঠিক পদ্ধতি
কড়াইয়ে তেল গরম হলে ব্যাটার থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে বড়ার আকারে ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে দুই দিক সোনালি ও মচমচে হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে নিন।অতিরিক্ত তেল ঝরানোর জন্য টিস্যু পেপারের ওপর কিছুক্ষণ রেখে পরিবেশন করুন।

পরিবেশনের টিপস
গরম গরম পাটশাকের বড়া কাসুন্দি, টমেটো সস কিংবা এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে দারুণ লাগে। আবার বর্ষার দুপুরে গরম ভাত ও ডালের সঙ্গেও এটি হতে পারে অসাধারণ একটি সাইড ডিশ।

বর্ষার বাজারে সহজলভ্য পাটশাক দিয়ে খুব কম সময়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু ও পুষ্টিকর বড়া। বেসন, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা এবং কয়েকটি সাধারণ উপকরণেই বানানো এই পদ গরম ভাত কিংবা বিকেলের নাস্তায় সমানভাবে জনপ্রিয়।








