জ্বালানির ক্রমবর্ধমান দামের চাপের মাঝে স্বস্তির বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের উপর এক্সাইজ ডিউটি কমানোর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বাজারে জ্বালানির দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেই আশা করা হচ্ছে।
‘পেট্রোল-ডিজেলে বড় কাটছাঁট, কতটা কমল শুল্ক?’
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রোলের উপর লিটার প্রতি ৩ টাকা এবং ডিজেলের উপর ১০ টাকা আবগারি শুল্ক কমানো হয়েছে। ডিজেলের ক্ষেত্রে কার্যত সম্পূর্ণ এক্সাইজ ডিউটি তুলে নেওয়া হয়েছে, যা পরিবহণ খাতে বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে।
‘আন্তর্জাতিক সঙ্কটের প্রভাব, কেন এই সিদ্ধান্ত?’
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সঙ্কট এবং পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইরানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য অবরোধ জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি করেছে।
‘কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন, কী বলছে নতুন নিয়ম?’
কেন্দ্র সরকার আবগারি শুল্কের নিয়মে সংশোধন এনে পেট্রোল, হাই-স্পিড ডিজেল (HSD) ও এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল (ATF)-এর ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির উপর চাপ কিছুটা কমবে।
‘রফতানিতে উৎসাহ, পেট্রোলে শূন্য বিশেষ শুল্ক’
রফতানির ক্ষেত্রে পেট্রোলের উপর বিশেষ অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক (SAED) শূন্য রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিজেলের উপর এই শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৮.৫ টাকা। এর ফলে পেট্রোল রফতানি আরও উৎসাহ পেতে পারে।
‘এভিয়েশন সেক্টরে স্বস্তি, ATF-এ করছাড়’
এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের ক্ষেত্রেও কর কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। কার্যকর শুল্ক কমিয়ে বিমান সংস্থাগুলিকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া হয়েছে। আমদানি করা ATF-এর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
‘সাধারণ মানুষের পকেটে কতটা প্রভাব পড়বে?’
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে পরিবহণ খরচ কমতে পারে, যার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। তবে চূড়ান্ত প্রভাব নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের উপর।
সাধারণ মানুষের জন্য বড় স্বস্তির খবর। পেট্রোল ও ডিজেলের উপর আবগারি শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমাল কেন্দ্র সরকার—পেট্রোলে ৩ টাকা এবং ডিজেলে ১০ টাকা হ্রাস। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।













