দেশের সংকটময় মুহূর্তে বা বড় সিদ্ধান্তের আগে বারবার সামনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুধু ঘোষণা নয়, বরং দেশের ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ হিসেবেও কাজ করেছে। তাই আজকের ভাষণ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও উদ্বেগ।
নোটবন্দি: এক সিদ্ধান্তে কেঁপে ওঠে দেশ
২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোটবন্দি-র ঘোষণা করে ₹৫০০ ও ₹১০০০ নোট বাতিল করা হয়। কালো টাকা ও জাল নোট নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে।
GST: ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ট্যাক্স’
২০১৭ সালে GST চালু-র মাধ্যমে নতুন কর ব্যবস্থার সূচনা হয়। এটি ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হয়।
করোনা কালে জনতা কারফিউ ও লকডাউন
২০২০ সালে COVID-19 পরিস্থিতিতে একাধিক ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
জনতা কারফিউ ঘোষণা
দেশব্যাপী লকডাউন
“আত্মনির্ভর ভারত” উদ্যোগ
এই ভাষণগুলি দেশের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করতে বড় ভূমিকা নেয়।
কৃষি আইন প্রত্যাহার: বড় রাজনৈতিক বার্তা
২০২১ সালে কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেন মোদি। দীর্ঘ কৃষক আন্দোলনের পর এই সিদ্ধান্ত ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ।
আজকের ভাষণ ঘিরে বাড়ছে জল্পনা
আজ ফের রাত সাড়ে আটটায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন নরেন্দ্র মোদি। তবে কী ঘোষণা হতে চলেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক মহল—সবাই তাকিয়ে আছে এই ভাষণের দিকে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু
এই ভাষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই কটাক্ষ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মতে, এই ধরনের ভাষণ বাস্তব সমস্যার সমাধান করে না—বরং ‘জুমলা’ হিসেবেই দেখা হয়।
২০১৪ সাল থেকে নরেন্দ্র মোদি-র জাতির উদ্দেশে ভাষণ একাধিকবার দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে। আজ আবার তাঁর ভাষণ ঘিরে বাড়ছে জল্পনা।











