Post Office Time Deposit: ১ থেকে ৫ বছরে ৬.৯% থেকে ৭.৫% সুদ, ৫ বছরের আমানতে ধারা ৮০সি-তে ₹১.৫ লাখ পর্যন্ত করছাড়

Post Office Time Deposit-এ ১, ২, ৩ ও ৫ বছরের মেয়াদে ৬.৯% থেকে ৭.৫% সুদ পাওয়া যাচ্ছে। ৫ বছরের আমানতে ধারা ৮০সি-এর অধীনে ₹১.৫ লাখ পর্যন্ত করছাড়ের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

পোস্ট অফিস টাইম ডিপোজিটে ১ থেকে ৫ বছরের মেয়াদে ৬.৯% থেকে ৭.৫% পর্যন্ত সুদ পাওয়া যাচ্ছে। ৫ বছরের আমানতের ক্ষেত্রে আয়কর আইনের ধারা ৮০সি-এর অধীনে ₹১.৫ লাখ পর্যন্ত করছাড়ের সুবিধাও পাওয়া যায়।

ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিটের মতো পোস্ট অফিস টাইম ডিপোজিটেও নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য টাকা জমা রেখে রিটার্ন পাওয়া যায়। বর্তমান হারের ভিত্তিতে এই স্কিমে ১, ২, ৩ এবং ৫ বছরের মেয়াদের বিকল্প রয়েছে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, মেয়াদ অনুযায়ী সুদের হার ৬.৯% থেকে ৭.৫% পর্যন্ত।

এই অ্যাকাউন্ট ₹১,০০০ থেকে খোলা যায়। বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত নেই। ফলে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের প্রয়োজন এবং উপলব্ধ অর্থ অনুযায়ী টাকা জমা করতে পারেন।

বিনিয়োগের টাকা দ্বিগুণ হতে কত সময় লাগতে পারে, তার আনুমানিক হিসাব করতে Rule of 72 ব্যবহার করা হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী ৭২-কে বার্ষিক সুদের হার দিয়ে ভাগ করলে আনুমানিক সময় পাওয়া যায়।

উদাহরণ হিসেবে, ৭.৫% সুদের হারে ৭২-কে ৭.৫ দিয়ে ভাগ করলে প্রায় ৯.৬ বছরের হিসাব পাওয়া যায়। অর্থাৎ সাধারণ আনুমানিক হিসাবে টাকা দ্বিগুণ হতে প্রায় ৯ বছর ৭ মাস সময় লাগতে পারে। প্রকৃত রিটার্ন এবং টাকা দ্বিগুণ হওয়ার সময়কাল স্কিমের সুদ গণনার পদ্ধতি এবং বিনিয়োগের শর্তের ওপর নির্ভর করবে।

পোস্ট অফিস টাইম ডিপোজিটে ৫ বছরের মেয়াদ বেছে নিলে আয়কর আইনের ধারা ৮০সি-এর অধীনে যোগ্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ₹১.৫ লাখ পর্যন্ত করছাড়ের সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। এর ফলে করযোগ্য আয় কমতে পারে।

অন্যদিকে, ব্যাঙ্ক ফিক্সড ডিপোজিট থেকে পাওয়া সুদ সাধারণত বিনিয়োগকারীর প্রযোজ্য আয়কর ব্যবস্থা এবং করের স্ল্যাব অনুযায়ী করের আওতায় আসে। তাই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শুধু সুদের হার নয়, করের পর বিনিয়োগের ওপর প্রভাবও বিবেচনা করা হয়।

দেশের যে কোনও নাগরিক পোস্ট অফিস টাইম ডিপোজিটে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। প্রাপ্তবয়স্করা নিজেদের নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং যৌথ অ্যাকাউন্টের সুবিধাও রয়েছে।

১০ বছরের বেশি বয়সী শিশুরা নিজেদের নামে এই অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারে। এছাড়া বাবা-মা বা অভিভাবকরাও নাবালকের নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।

 

Leave a comment