রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নাগাল্যান্ডের প্রতিষ্ঠা দিবসে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি রাজ্যের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং টেকসই উন্নয়নে অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন এবং রাজ্যবাসীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কামনা করেছেন।
নাগাল্যান্ড: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সোমবার নাগাল্যান্ডের জনগণকে রাজ্য প্রতিষ্ঠা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন যে নাগাল্যান্ড টেকসই উন্নয়নে (sustainable development) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। রাজ্য তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। রাষ্ট্রপতি তাঁর বার্তায় রাজ্যবাসীর কৃতিত্বের প্রশংসা করেছেন এবং তাঁদের প্রচেষ্টাকে সম্মানিত করেছেন।
নাগাল্যান্ড ১ ডিসেম্বর ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন, ‘‘নাগাল্যান্ডের জনগণকে রাজ্য প্রতিষ্ঠা দিবসে আন্তরিক শুভেচ্ছা। সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নাগাল্যান্ড টেকসই উন্নয়নে প্রশংসনীয় অগ্রগতি করছে।’’ এই বার্তার মাধ্যমে তিনি রাজ্যবাসীকে তাঁদের অবদানের জন্য সম্মানিত করেছেন।
সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের প্রশংসা
রাষ্ট্রপতি বলেন যে নাগাল্যান্ডের উপজাতীয় বৈচিত্র্য এবং অনন্য ঐতিহ্য গৌরবময়। রাজ্যে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক পরিচয় এটিকে বিশেষ করে তুলেছে। তিনি আরও বলেন যে নাগাল্যান্ডের মানুষ তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখেছে।
তিনি রাজ্যের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে করা প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। রাষ্ট্রপতি এই আশা প্রকাশ করেছেন যে নাগাল্যান্ডের এই সমৃদ্ধ এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভবিষ্যতে আরও বেশি অগ্রগতি করবে।
উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কামনা
রাষ্ট্রপতি মুর্মু নাগাল্যান্ডের জনগণের উজ্জ্বল, সমৃদ্ধ এবং শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের কামনা করেছেন। তিনি বলেন যে রাজ্যের মানুষ একত্রিত হয়ে উন্নয়নের পথে কাজ করুক এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আরও বেশি সাফল্য অর্জন করুক। তাঁর বার্তা রাজ্যবাসীদের মধ্যে গর্ব ও উদ্দীপনার অনুভূতি তৈরি করে।
রাজ্য প্রতিষ্ঠা দিবসের গুরুত্ব
নাগাল্যান্ড ১ ডিসেম্বর ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তারপর থেকে এই দিনটি রাজ্যবাসীর জন্য গর্ব এবং উদযাপনের একটি সুযোগে পরিণত হয়েছে। রাজ্যজুড়ে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সম্প্রদায়, উপজাতীয় সংগঠন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি সম্মিলিতভাবে রাজ্যের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রদর্শন করে।











