দক্ষিণ কলকাতার শহরতলিতে পুজোর মরশুমে চুরির ঘটনা বাড়ছে বলে খবর। আনন্দপুর, সার্ভে পার্ক, রিজেন্ট পার্ক ও বাঁশদ্রোণীতে একাধিক ফাঁকা বাড়িতে ঢুকে চুরি চালায় দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে চার অভিযুক্তকে। তাদের কাছ থেকে সোনা, রুপো ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে আরও অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।

পুজোর ভিড়ে চুরির হানা, তৎপর পুলিশ
পুজোর ব্যস্ততার মধ্যে যখন অধিকাংশ মানুষ আনন্দে মেতে, তখনই সুযোগ নেয় দুষ্কৃতীরা। আনন্দপুর, সার্ভে পার্ক ও বাঁশদ্রোণীর একাধিক ফাঁকা ফ্ল্যাটে ঢুকে আলমারি ভেঙে গয়না ও নগদ লোপাট করা হয়। অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ।
সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ল দুষ্কৃতীদের ছায়া
পুলিশ সূত্রে খবর, একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তল্লাশি শুরু হয়। তাতে দেখা যায়, মহম্মদ ইস্তাফির নামে এক দুষ্কৃতী বারবার ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করছে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর তার কাছ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
গয়না বিক্রির ছক ফাঁস, ধৃত তিন
রিজেন্ট পার্ক ও বাঁশদ্রোণী থানা এলাকায় আরও তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—বাবলু আচার্য, মহম্মদ করিম ও মহম্মদ ইলিয়াস। তারা চুরি করা গয়না বিক্রির ছক কষছিল বলে পুলিশের দাবি। তাদের কাছ থেকে একাধিক সোনার অলংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

‘লোন উলফ’ চোর ইস্তাফিরের কায়দা
তদন্তে জানা গিয়েছে, ইস্তাফির একাই চুরি করত। সে আগে থেকেই নজর রাখত কোন বাড়ি ফাঁকা আছে। তারপর সুযোগ বুঝে ঢুকে গয়না, নগদ, মোবাইল হাতিয়ে নিত। পুলিশের অনুমান, সম্প্রতি শহরতলিতে ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি চুরির ঘটনার সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে।

পুজোর ব্যস্ততার সুযোগে দক্ষিণ শহরতলিতে পরপর চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য। আনন্দপুর, সার্ভে পার্ক, রিজেন্ট পার্ক ও বাঁশদ্রোণীতে একাধিক ফাঁকা বাড়ি থেকে সোনা, নগদ ও মোবাইল চুরির অভিযোগে চার দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে গয়না উদ্ধার হয়েছে










