মাছের বাজারে বঁটি হাতে প্রচার! শিবপুরে অভিনব কৌশলে নজর কাড়লেন রুদ্রনীল ঘোষ

WB Election 2026-এ শিবপুরে অভিনব প্রচার বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষের। বাজারে বসে মাছ কেটে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা, দেখুন বিস্তারিত।

ভোটের প্রচারে চমক থাকবেই—এ যেন নতুন ট্রেন্ড। তবে শিবপুরে যা দেখা গেল, তা একেবারেই অন্যরকম। ভরা বাজারে মাছ হাতে, সামনে ধারালো বঁটি—এভাবেই ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করলেন অভিনেতা-প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। মুহূর্তেই সেই দৃশ্য ভাইরাল হয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বাজারে বসে ‘মাছ কাটা’, নজরকাড়া প্রচার

রবিবার সকালে শিবপুরের কোনা বাজারে পৌঁছন রুদ্রনীল ঘোষ। সাধারণ মাছ বিক্রেতাদের মতোই বসে পড়েন বঁটির সামনে। হাতে মাছ নিয়ে কাটতেও দেখা যায় তাঁকে। চারপাশে জড়ো হয় কৌতূহলী ভিড়। তারকা প্রার্থীকে এমন ভূমিকায় দেখে অনেকেই ছবি তোলা ও সেলফিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

‘মাছ-ভাতে বাঙালি’—রাজনীতির বার্তা

এই প্রচারের মধ্যেই রাজনৈতিক বার্তা দিতে ভোলেননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা নানা সমস্যার মুখে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ উৎপাদন ও ব্যবসায়ীদের জন্য উন্নত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে বলেও আশ্বাস দেন।

শিবপুরে জমজমাট লড়াই

শিবপুর কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের দখলে। ফলে এবারের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে লড়াই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। রুদ্রনীল ঘোষ-এর মতো পরিচিত মুখকে প্রার্থী করায় বিজেপি এই কেন্দ্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়ার কৌশল

শুধু বাজারে মাছ কাটা নয়—এর আগে কখনও ঝাড়ু হাতে এলাকা পরিষ্কার, কখনও চপ ভাজা, কখনও আবার সেলফি তুলে ভোটারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। একেবারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেই প্রচার চালাচ্ছেন এই তারকা প্রার্থী।

আগের হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

গত West Bengal Assembly Election 2021-এ পরাজয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাই এবারের নির্বাচনে কোনও সুযোগ হাতছাড়া করতে নারাজ তিনি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা প্রচারে ব্যস্ত থেকে ভোটের ময়দানে শক্ত লড়াই দিচ্ছেন।

WB Assembly Election 2026-এর উত্তাপে এবার ভিন্ন স্বাদের প্রচার। শিবপুরে বাজারে বসে মাছ কাটতে দেখা গেল বিজেপির তারকা প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ গড়তেই এই অভিনব উদ্যোগ বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

Leave a comment