রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিহারের মসনদে বসেছেন Samrat Choudhary। আগে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলালেও এবার পূর্ণ সময়ের মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর হলফনামায় প্রকাশিত সম্পত্তির হিসেব সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী পদে নতুন অধ্যায়
Nitish Kumar-এর পদত্যাগের পর এনডিএ জোটের তরফে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সম্রাট চৌধুরী। বিজেপি থেকে প্রথমবার এই পদে বসে রাজনৈতিক ইতিহাসেও নজির গড়েছেন তিনি।
মোট সম্পত্তি ১১ কোটির বেশি
হলফনামা অনুযায়ী, সম্রাট চৌধুরীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি প্রায় ৯.২৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী মমতা কুমারীর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২.০১ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১.৩১ কোটি টাকা।
নগদ, ব্যাঙ্ক ব্যালান্স ও বিনিয়োগ
নগদ অর্থ তুলনামূলক কম হলেও ব্যাঙ্ক ডিপোজিট রয়েছে প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি শেয়ার, বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ রয়েছে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার। বিভিন্ন ফান্ডে আলাদা করে বিনিয়োগের তথ্যও উঠে এসেছে হলফনামায়।
সোনা-রুপোর ভান্ডার
স্বামী-স্ত্রী উভয়ের কাছেই রয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার সোনা। এছাড়া প্রায় ৭৫ হাজার টাকার রুপোর অলঙ্কারও রয়েছে তাঁদের সম্পদের তালিকায়। গয়নার এই পরিমাণও নজর কাড়ছে রাজনৈতিক মহলে।
জমিজমায় বিপুল সম্পত্তি
স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অংশ। মুঙ্গের ও পাটনা-সহ একাধিক এলাকায় কৃষিজমি ও আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে। এই স্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্য প্রায় ৯.৩০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিতর্ক
সম্রাট চৌধুরীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। হলফনামায় উল্লেখ, তিনি পিএফসি কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। তবে তাঁর প্রথাগত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
স্ত্রীর পেশা ও ভূমিকা
তাঁর স্ত্রী মমতা কুমারী পেশায় একজন আইনজীবী। সম্পত্তির একটি বড় অংশই তাঁর নামেও রয়েছে, যা পরিবারের আর্থিক অবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী Samrat Choudhary—নিজেকে কৃষক বললেও হলফনামায় প্রকাশ পেল ১১ কোটির বেশি সম্পত্তি। স্ত্রীর অ্যাকাউন্ট, সোনা-রুপো, বিনিয়োগ—সব মিলিয়ে সম্পদের বহর নজর কাড়ছে।










