North 24 Parganas-এ গড়ে উঠছে ১০০ ফুট ‘শ্রীরাম টাওয়ার’! ১৬ মাইকে সকাল-সন্ধ্যা ভাসবে রামনাম ও হনুমান চালিশা

উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় তৈরি হচ্ছে ১০০ ফুট উঁচু শ্রীরাম টাওয়ার। ১৬টি মাইকে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় রামনাম ও হনুমান চালিশা প্রচার হবে—জানুন বিস্তারিত।

ধর্মীয় আবহকে আরও জোরদার করতে বড় উদ্যোগ North 24 Parganas জেলায়। বসিরহাট মহকুমার Minakhan এলাকার হাজরাতলায় তৈরি হতে চলেছে বিশালাকার ‘শ্রীরাম টাওয়ার’। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় এই টাওয়ার থেকে ভেসে আসবে রামনাম ও হনুমান চালিশা, যা ইতিমধ্যেই এলাকায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।

প্রথমবার এমন ধর্মীয় টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ

এই প্রথম North 24 Parganas জেলায় এমন ধর্মীয় প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের মতে, ‘শ্রীরাম টাওয়ার’ হবে একটি আধ্যাত্মিক মিলনক্ষেত্র, যেখানে নিয়মিত নামসংকীর্তন ও ধর্মীয় পাঠ অনুষ্ঠিত হবে।

১০০ ফুট উচ্চতা, ১৬টি মাইকের ব্যবস্থা

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় ১০০ ফুট উঁচু এই টাওয়ারের মাথায় বসানো হবে ১৬টি মাইক। এই মাইকের মাধ্যমে দূরদূরান্ত পর্যন্ত ধর্মীয় সংগীত ও পাঠ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আধ্যাত্মিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্য

উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, এই টাওয়ার শুধুমাত্র একটি স্থাপত্য নয়—এটি এলাকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে জাগ্রত করার একটি বড় পদক্ষেপ। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় রামনাম ও হনুমান চালিশা পাঠের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মানুষদের যুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের উপস্থিতি

এই প্রকল্পের সূচনায় উপস্থিত ছিলেন উদ্যোক্তা বাবু সোনা কর্মকার, উপদেষ্টা বৃন্দাবন মহারাজ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। তাঁদের মতে, এই উদ্যোগ এলাকায় ধর্মীয় পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করবে।

স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ

Minakhan-এর বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এমন একটি কেন্দ্র গড়ে উঠলে সামাজিক ঐক্য বাড়বে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রসার ঘটবে।

নির্মাণ শুরুর দিনক্ষণ এখনও অনিশ্চিত

যদিও প্রকল্প ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে, তবে কবে থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হবে বা কতদিনে শেষ হবে—সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট কোনও ঘোষণা করা হয়নি। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।

Minakhan-এ নির্মিত হতে চলেছে বিশেষ ‘শ্রীরাম টাওয়ার’, যেখান থেকে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় রামনাম ও হনুমান চালিশা প্রচার করা হবে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এটি শুধুমাত্র স্থাপত্য নয়, বরং একটি বড় আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

Leave a comment