নববর্ষের উৎসবের আবহেই রাজনৈতিক অস্বস্তি। হুগলির চুঁচুড়ায় নির্ধারিত জনসভায় পৌঁছে অভ্যর্থনার অভাব দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চে না উঠেই ফিরে গেলেন বিজেপির শীর্ষ নেত্রী Smriti Irani। ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
অগোছালো আয়োজনেই ক্ষোভ
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার ঘড়ির মোড়ে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল স্মৃতি ইরানির। নির্ধারিত সময়েই তিনি সভাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দলের জেলা সভাপতি বা প্রথম সারির কোনও নেতৃত্ব উপস্থিত নেই। এমনকি স্বাগত জানানোর মতো ন্যূনতম প্রস্তুতিও ছিল না বলে অভিযোগ।
মঞ্চ এড়িয়ে সরাসরি প্রস্থান
এই পরিস্থিতিতে স্পষ্টতই অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন Smriti Irani। দলীয় সূত্রের দাবি, বিশৃঙ্খলা এবং অভ্যর্থনার অভাব দেখে তিনি আর অপেক্ষা না করে সরাসরি জনসভা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। মঞ্চে না উঠেই স্থান ত্যাগ করেন তিনি, যা উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
অনুরোধেও অনড় সিদ্ধান্ত
যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত কিছু কর্মী তাঁকে থেকে যাওয়ার অনুরোধ জানান, তবুও নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন বিজেপি নেত্রী। তাঁর এই আচরণে একদিকে যেমন বিস্ময় তৈরি হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা
পয়লা বৈশাখের মতো শুভ দিনে এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনের আগে এমন অগোছালো ছবি দলের ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বিজেপির অন্দরেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অস্বস্তি বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
পয়লা বৈশাখের দিন হুগলির চুঁচুড়ায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে মঞ্চ এড়িয়ে ফিরে গেলেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি। অভ্যর্থনার অভাব ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।











