নবগছিয়ায় সোলার মেলা ২০২৬, দুপুর ১টায় উদ্বোধন করবেন শক্তিমন্ত্রী শৈলেশ কুমার

বিহারের নবগছিয়ার তেতরি দুর্গা মন্দির চত্বরে সোলার মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর যোজনার আওতায় ভর্তুকি, নিবন্ধন, সোলার প্যানেল স্থাপন ও ব্যাঙ্ক ঋণ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হবে।

বিহারের ভাগলপুর জেলার নবগছিয়ার তেতরি দুর্গা মন্দির চত্বরে প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সোলার মেলা ২০২৬-এর আয়োজন করা হচ্ছে। বিহার সরকারের শক্তিমন্ত্রী তথা গোপালপুরের বিধায়ক শৈলেশ কুমার ওরফে বুলো মণ্ডল দুপুর ১টায় মেলার উদ্বোধন করবেন। এই অনুষ্ঠানে উপভোক্তাদের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো, সরকারি ভর্তুকি, নিবন্ধন এবং ব্যাঙ্ক ঋণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হবে।

বিহারের ভাগলপুর জেলার নবগছিয়ার তেতরি দুর্গা মন্দির চত্বরে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সোলার মেলা ২০২৬-এর আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার আওতায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মেলার প্রস্তুতি প্রশাসনিক স্তরে সম্পন্ন হয়েছে। এই আয়োজনের উদ্দেশ্য হল গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের উপভোক্তাদের ছাদে সোলার সিস্টেম স্থাপনের সুবিধা এবং সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য দেওয়া।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত সংস্থা ও বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বাড়ির ছাদে কীভাবে সোলার প্যানেল বসানো যায় এবং তার জন্য কোন কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, তা জানানো হবে।

সোলার মেলায় অংশগ্রহণকারীদের প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার আওতায় পাওয়া ভর্তুকি, যোগ্যতার শর্ত এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হবে। আগ্রহী উপভোক্তারা নিজেদের বাড়ির বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী কত ক্ষমতার ছাদে স্থাপিত সোলার সিস্টেম উপযুক্ত হতে পারে, সে সম্পর্কেও তথ্য পাবেন।

নবগছিয়ায় সোলার মেলা ২০২৬, দুপুর ১টায় উদ্বোধন করবেন শক্তিমন্ত্রী শৈলেশ কুমার

এ ছাড়া প্রকল্পে নিবন্ধন, অনুমোদিত বিক্রেতা নির্বাচন এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সহায়তা দেওয়া হবে। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে এমন ঋণ এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত শর্তাবলি সম্পর্কেও তথ্য দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার উদ্দেশ্য হল বাড়িতে ছাদে স্থাপিত সোলার সিস্টেম বসানোর জন্য উপভোক্তাদের উৎসাহিত করা। প্রকল্পের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য পরিবারগুলি সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা পায়।

সোলার প্যানেলের মাধ্যমে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপন্ন হলে, প্রযোজ্য নেট মিটারিং ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী সেই বিদ্যুৎ গ্রিডে পাঠানো যেতে পারে। এর ফলে উপভোক্তাদের বিদ্যুতের বিল কমতে পারে।

তবে বিদ্যুতের বিল সম্পূর্ণ শূন্য হবে কি না, তা নির্ভর করে বিদ্যুতের ব্যবহার, সোলার সিস্টেমের ক্ষমতা, আবহাওয়া এবং প্রযোজ্য শুল্কের ওপর। প্রকল্পের লক্ষ্য হল যোগ্য গার্হস্থ্য উপভোক্তাদের প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ তৈরি করা। প্রতিটি পরিবারের প্রকৃত সাশ্রয় তাদের বিদ্যুতের চাহিদা এবং সোলার সিস্টেমের কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করবে।

আয়োজন কমিটি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবগছিয়া মহকুমা ও আশপাশের গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের সোলার মেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে উপভোক্তারা প্রকল্পের শর্ত, আবেদন প্রক্রিয়া, ভর্তুকি এবং আর্থিক বিকল্প সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন।

সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়লে প্রচলিত বিদ্যুৎ উৎসের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি পরিবেশগত সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় পরিবারগুলি ছাদে সোলার সিস্টেম স্থাপনের বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে জানতে পারবেন।

 

Leave a comment