খারকিভের নিকটবর্তী একটি সামরিক চৌকিতে ইউক্রেন ড্রোন ও স্থলভিত্তিক রোবটের সহায়তায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে, যেখানে কোনো সৈন্যের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে খারকিভের কাছে ইউক্রেন মানববিহীন ড্রোন ও গ্রাউন্ড রোবট ব্যবহার করে একটি সামরিক চৌকির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এই অভিযানে কোনো স্থলসেনার সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মতে, অভিযানটি কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে এবং এতে আকাশ ও স্থলভিত্তিক সিস্টেমের যৌথ ব্যবহার করা হয়। নজরদারি, আক্রমণ এবং এলাকা দখল সম্পূর্ণভাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল কম ক্ষয়ক্ষতিতে কৌশলগত অগ্রগতি অর্জন করা।
খারকিভের নিকটে পরিচালিত এই অভিযানে প্রথমে গ্রাউন্ড-ভিত্তিক মানববিহীন সিস্টেমগুলোকে এগিয়ে পাঠানো হয়, যা সরাসরি রুশ বাঙ্কারের দিকে অগ্রসর হয়। এরপর একাধিক স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম এলাকায় প্রবেশ করে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরো অভিযানে কোনো ইনফ্যান্ট্রি বা স্থলসেনার প্রয়োজন হয়নি। অভিযানটি কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে এবং ধাপে ধাপে এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়, যার ফলে রুশ পক্ষকে পিছু হটতে হয়।

এই অভিযানে আকাশ ও স্থলভিত্তিক উভয় ধরনের ড্রোন ব্যবহার করা হয়। কিছু ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রের লাইভ ফিড সরবরাহ করছিল, অন্যগুলো আক্রমণের জন্য বিস্ফোরক নিক্ষেপ করেছিল। এর ফলে পুরো অভিযান নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। কঠিন ভৌগোলিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও এই সিস্টেমগুলো অগ্রসর হতে থাকে এবং নির্ধারিত মিশন সম্পন্ন করে।
মাঠে যন্ত্রগুলো সক্রিয় থাকলেও পুরো অভিযান মানুষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। একটি কেন্দ্রীয় দল দূর থেকে ড্রোন ও রোবটগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং রিয়েল-টাইম তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়। অভিযানের আগে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয় এবং ড্রোনের রুট ও কার্যক্রম একাধিকবার মহড়া দেওয়া হয়, যাতে কোনো প্রযুক্তিগত বাধা বা সিগন্যাল ওভারল্যাপের কারণে অভিযান ব্যাহত না হয়।









