লখনউ সংশ্লিষ্ট একটি উদ্যোগের আওতায় উত্তর প্রদেশের ১৩৩৬ জন নির্মাণ শ্রমিককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর ইসরায়েলে পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজ্যের দক্ষ শ্রমিকদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত শ্রমিকদের আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, নিরাপত্তা মানদণ্ড ও কর্মপদ্ধতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশে কাজের সময় কোনো সমস্যার মুখে পড়তে না হয়। প্রশিক্ষণে ভবন নির্মাণ, শাটারিং, স্টিল ফিক্সিং, টাইলস বসানো, প্লাস্টারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কাজে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভাষা, শৃঙ্খলা ও কর্মস্থলের নিয়মকানুন সম্পর্কেও অবহিত করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরায়েলের নির্মাণ খাতে দক্ষ শ্রমিকের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উত্তর প্রদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত শ্রমিকদের নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী বেতন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে। এর ফলে শ্রমিকদের আয় বাড়ার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।
রাজ্য সরকারের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজ্যের শ্রমিকরা বৈশ্বিক পর্যায়ে পরিচিতি পাবেন। বিদেশে কাজ শেষে ফিরে এসে তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা রাজ্যেও কাজে লাগাতে পারবেন, যা স্থানীয় নির্মাণ শিল্পের জন্য সহায়ক হবে। বিদেশে অর্জিত আয় থেকে রাজ্যের অর্থনীতিও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে।
এই পরিকল্পনা ঘিরে শ্রমিকদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। অনেক শ্রমিক জানিয়েছেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো তাঁদের বিদেশে কাজের সুযোগ মিলছে। উন্নত আয় ও নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রত্যাশা তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। কয়েকজন শ্রমিক প্রশিক্ষণকালে কাজের কৌশলের পাশাপাশি বিদেশে বসবাস ও কর্মসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সতর্কতার কথাও শেখানো হয়েছে বলে জানান।
প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে আরও বেশি শ্রমিককে আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি ও চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হচ্ছে।
সার্বিকভাবে, ইসরায়েলে কর্মসংস্থানের এই সুযোগ উত্তর প্রদেশের শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৩৩৬ জন নির্মাণ শ্রমিকের এই দলটি নিজেদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু করছে এব











