বিকেলের জলখাবার মানেই গরম চা আর সঙ্গে শিঙাড়া—এই কম্বিনেশন বাঙালির কাছে চিরকালীন। কিন্তু প্রতিদিনের সেই আলু শিঙাড়ার স্বাদে যদি একটু বদল আনা যায়? ঠিক সেই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির দুই বন্ধু। তাঁদের তৈরি ‘সামোসা স্টোরি’ এখন এলাকার নতুন ফুড ডেস্টিনেশন।
আলু শিঙাড়ার বাইরে ভাবনাই সাফল্যের চাবিকাঠি
শিঙাড়া মানেই যে শুধু আলুর পুর—এই ধারণা ভেঙে দিয়েছেন অংশুমান দোলাই ও প্রদীপ। কাঁথিতে শুরু হওয়া তাঁদের আউটলেট ‘সামোসা স্টোরি’-তে মিলছে একাধিক ভ্যারাইটি শিঙাড়া, যা স্বাদে ও গঠনে আলাদা।
কী কী ভ্যারাইটি মিলছে ‘সামোসা স্টোরি’-তে?
এই দোকানে গেলে চোখ আটকে যাবে মেনুতেই।
চিকেন শিঙাড়া
ডবল কোটেড চিকেন শিঙাড়া
এগ শিঙাড়া
পনির শিঙাড়া
আলু মশলা শিঙাড়া
সব শিঙাড়াই ক্রিস্পি বাইরের খোলস আর ভরপুর ফিলিংয়ে তৈরি। দামও সাধ্যের মধ্যেই—১৫ টাকা থেকে ২৫ টাকার মধ্যে।
দুই বন্ধুর স্বপ্ন থেকে দোকান
অংশুমান দোলাই পেশায় গৃহশিক্ষক। প্রতিদিন টিউশন পড়াতে গিয়ে একই ধরনের শিঙাড়া খেতে খেতেই তাঁর মনে আসে নতুন কিছু করার ভাবনা। বাড়িতেই শুরু হয় নানা স্বাদের শিঙাড়া ট্রায়াল। বন্ধু প্রদীপ সেই স্বাদে মুগ্ধ হতেই তৈরি হয় দোকান খোলার পরিকল্পনা।
খোলার দিন থেকেই উপচে পড়া ভিড়
‘সামোসা স্টোরি’ চালু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই দোকানে ভিড় লক্ষ্য করার মতো। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসফেরত মানুষ—সবাই নতুন স্বাদের শিঙাড়া চেখে দেখতে আসছেন। কেউ দোকানে বসে খাচ্ছেন, কেউ আবার প্যাক করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।
বিকেলের জলখাবারে নতুন ঠিকানা
ক্রিস্পি টেক্সচার, ভিন্ন স্বাদের পুর আর গরম গরম পরিবেশন—সব মিলিয়ে এই আউটলেট এখন কাঁথির বিকেলের আড্ডার অন্যতম ঠিকানা হয়ে উঠেছে। নিরামিষ ও আমিষ—দুই ধরনের খদ্দেরের কাছেই সমান জনপ্রিয়।
আলু শিঙাড়ার চেনা স্বাদের বাইরে গিয়ে কাঁথিতে শুরু হয়েছে ভ্যারাইটি শিঙাড়ার নতুন ঠিকানা। দুই বন্ধুর উদ্যোগে গড়ে ওঠা ‘সামোসা স্টোরি’-তে মিলছে চিকেন, পনির, এগ সহ নানা স্বাদের শিঙাড়া, যা ইতিমধ্যেই মন জয় করেছে শিঙাড়া-প্রেমীদের।













