হোয়াইট, পিঙ্ক ও রেড কলার চাকরির শ্রেণিবিন্যাস কর্মের প্রকৃতি ও ক্ষেত্র অনুযায়ী নির্ধারিত

ভারত ও বিশ্বে কর্মসংস্থানে হোয়াইট, পিঙ্ক ও রেড কলার চাকরির শ্রেণিবিন্যাস কর্মের প্রকৃতি ও কাজের ক্ষেত্র অনুযায়ী নির্ধারিত, যা পেশাগত পরিকল্পনা ও চাকরি নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়।

ভারত ও বিশ্বে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে চাকরিগুলোকে তাদের প্রকৃতি ও কাজের ক্ষেত্রের ভিত্তিতে হোয়াইট, পিঙ্ক এবং রেড কলার—এই তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে, যা পেশাগত পরিকল্পনা ও চাকরি নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়।

ভারত ও বিশ্বে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে চাকরিগুলোকে তাদের প্রকৃতি ও কাজের ক্ষেত্রের ভিত্তিতে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। হোয়াইট কলার চাকরিতে অফিস ও প্রশাসনিক কাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেমন ম্যানেজার, ব্যাংক কর্মী ও ইঞ্জিনিয়ার। পিঙ্ক কলার চাকরি মূলত সেবা খাত ও গ্রাহক সংযোগের সঙ্গে যুক্ত, যেমন নার্স ও শিক্ষক। রেড কলার চাকরি শারীরিক পরিশ্রম ও বাইরের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই শ্রেণিবিন্যাস পেশাগত পরিকল্পনা ও চাকরি নির্বাচনে ভূমিকা রাখে।

হোয়াইট কলার চাকরি সেই পেশাগুলোকে বোঝায় যেখানে কর্মীরা প্রধানত অফিস বা ইনডোর পরিবেশে কাজ করেন। উদাহরণ হিসেবে ম্যানেজার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংক কর্মী, অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং প্রশাসনিক কর্মীদের উল্লেখ করা যায়। এই ধরনের চাকরিতে কম্পিউটার ব্যবহার, রিপোর্টিং, ডাটা এন্ট্রি এবং মিটিংয়ের মতো দায়িত্ব থাকে।

এই কর্মীরা সাধারণত পূর্ণকালীন বেতনভোগী হন এবং তাদের পেশাগত পোশাক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অফিস উপযোগী হয়। এই শব্দটি প্রথম ১৯৩০-এর দশকে লেখক আপটন সিনক্লেয়ার ব্যবহার করেন।

পিঙ্ক কলার চাকরি সেবা খাতের সঙ্গে যুক্ত। এতে নার্স, শিক্ষক, ওয়েটার, সেলসপার্সন, হাউসকিপার এবং বেবিসিটার অন্তর্ভুক্ত। এই চাকরিগুলো মূলত অন্যদের সাহায্য, সেবা প্রদান এবং গ্রাহক সংযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।

প্রাথমিকভাবে এই ধরনের চাকরি নারীদের জন্য বেশি ছিল, তাই একে পিঙ্ক কলার বলা হয়। ১৯৯০-এর দশকে এই শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় এবং বর্তমানে এটি সেবা খাতের চাকরির জন্য সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়।

রেড কলার চাকরি তাদের বোঝায় যারা প্রধানত বাইরের পরিবেশে এবং শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে কাজ করেন। এতে কৃষক, জেলে, শিকারি, খনিশ্রমিক এবং কাঠুরে অন্তর্ভুক্ত। এই ধরনের চাকরি প্রাকৃতিক সম্পদ, জমি এবং প্রাণীর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

শারীরিক পরিশ্রম এবং বাইরের কাজের কারণে এই কর্মীদের লালপোশ শ্রমিকও বলা হয়। এই শ্রেণি এমন কর্মীদের নির্দেশ করে যাদের কাজ মূলত হাতের কাজ এবং শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল।

 

Leave a comment