Yash অভিনীত ‘Toxic’ ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে না, নিশ্চিত করলেন পরিচালক Geetu Mohandas

Yash অভিনীত ‘Toxic’ ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে না, নিশ্চিত করলেন পরিচালক Geetu Mohandas

পরিচালক Geetu Mohandas নিশ্চিত করেছেন যে Yash অভিনীত ‘Toxic’ আর ১৯ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে না।

দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেতা Yash অভিনীত চলচ্চিত্র ‘Toxic’-এর নির্ধারিত মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ছবিটি আগে ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল, তবে এখন এর মুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। চলচ্চিত্রটির পরিচালক Geetu Mohandas সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন। এর ফলে ১৯ মার্চ নির্ধারিত সম্ভাব্য বড় বক্স অফিস সংঘর্ষও আপাতত এড়ানো হয়েছে। ছবিটির নতুন মুক্তির তারিখ পরে ঘোষণা করা হবে।

চলচ্চিত্রটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান KVN Productions ইনস্টাগ্রামে একটি আনুষ্ঠানিক লেটারহেড শেয়ার করে এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘Toxic’ কেবল ভারতীয় দর্শকদের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক দর্শকদের কথা মাথায় রেখেও নির্মিত হয়েছে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার কারণে নির্মাতারা আপাতত ছবিটির মুক্তি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে বর্তমান অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ছবিটিকে বিশ্বব্যাপী মুক্তি দেওয়া বাণিজ্যিকভাবে উপযুক্ত হবে না।

১৯ মার্চ ‘Toxic’-এর মুক্তি নির্ধারিত থাকায় একই দিনে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘Dhurandhar 2’-এরও। এই সম্ভাব্য বক্স অফিস সংঘর্ষ নিয়ে ট্রেড মহলে আগেই আলোচনা চলছিল। ‘Toxic’ মুক্তি স্থগিত হওয়ায় দুই ছবির সরাসরি সংঘর্ষ আপাতত এড়ানো হয়েছে, ফলে অন্য ছবিটি একক মুক্তির সুবিধা পেতে পারে। চলচ্চিত্র শিল্পে বড় বাজেটের ছবির ক্ষেত্রে মুক্তির তারিখ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, কারণ একই সময়ে একাধিক বড় ছবি মুক্তি পেলে উভয়ের আয়ের উপর প্রভাব পড়তে পারে।

নির্মাতাদের মতে, ‘Toxic’ Yash-এর ক্যারিয়ারের অন্যতম উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে। KGF ফ্র্যাঞ্চাইজির আন্তর্জাতিক সাফল্যের পর Yash-এর চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক বাজারেও বৃহৎ পরিসরে মুক্তি দেওয়া হয়। নির্মাতারা জানিয়েছেন, ছবিটির গল্প ও প্রোডাকশন ভ্যালুর কারণে এটিকে বিস্তৃত বাজারে উপস্থাপন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই যদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি বাজারে অনিশ্চয়তা থাকে, সে ক্ষেত্রে মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে অধিক উপযুক্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

Leave a comment