ভোটের আবহে বড় ধাক্কা রাজ্য রাজনীতিতে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা Abu Hasem Khan Choudhury-র প্রয়াণে শোকস্তব্ধ Malda। ‘ডালু বাবু’ নামেই পরিচিত এই প্রভাবশালী নেতা দীর্ঘদিন ধরে জেলার রাজনীতির অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন।
শেষ লড়াই হারলেন ডালু বাবু: ৮৮ বছরেই জীবনাবসান
বুধবার রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন Abu Hasem Khan Choudhury। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় দীর্ঘদিন ভুগছিলেন তিনি। প্রায় ২০ দিন আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিবারের শোকবার্তা: মালদহে ফিরছে মরদেহ
দক্ষিণ মালদহের সাংসদ Isha Khan Choudhury জানিয়েছেন, বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিট নাগাদ তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে মালদহের কোতওয়ালির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর মরদেহ, যেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন পরিবার ও সাধারণ মানুষ।
রাজনৈতিক পরিবারের স্তম্ভ: কোতওয়ালি বাড়ির প্রভাব
মালদহের কোতওয়ালি পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই জেলার রাজনীতিতে প্রভাবশালী। সেই পরিবারের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন Abu Hasem Khan Choudhury। তাঁর মৃত্যুতে শুধু কংগ্রেস নয়, গোটা জেলার রাজনৈতিক পরিসরেই শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
দাদার হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ
প্রয়াত কংগ্রেস নেতা A. B. A. Ghani Khan Choudhury-র হাত ধরেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। প্রথমে কালিয়াচক কেন্দ্র থেকে দু’বার বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দাদার মৃত্যুর পর লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জয়ী হন।
টানা চারবার সাংসদ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বও সামলেছেন
২০০৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা চারবার দক্ষিণ মালদহের সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন Abu Hasem Khan Choudhury। এছাড়াও ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলান তিনি।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার: ছেলের হাতে দায়িত্ব
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বয়সজনিত কারণে নিজে প্রার্থী না হয়ে ছেলের হাতে দায়িত্ব তুলে দেন। বর্তমানে দক্ষিণ মালদহের সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন Isha Khan Choudhury।
৮৮ বছর বয়সে প্রয়াত মালদহের প্রাক্তন সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী। দীর্ঘ অসুস্থতার পর কলকাতার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া মালদহ-সহ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।








