আগ্রায় অনুষ্ঠিত এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ৬৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক ও অন্যান্য পদক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং বলেন, সমাবর্তন শুধু ডিগ্রি অর্জনের উপলক্ষ নয়, নতুন দায়িত্বের সূচনাও।
পদক বিতরণ পর্বে রাজ্যপাল প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। এ সময় এক ছাত্রীকে সম্মানিত করার সময় তিনি হাসিমুখে বলেন, “इनकी सास नहीं आई हैं, फोटो क्या खींचोगे।” তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের মধ্যে হাসির পরিবেশ তৈরি হয়। এরপর তিনি উপস্থিত দর্শকদের উদ্দেশে বলেন, “मित्रों, ताली बजाइए।”
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় ও অনুষদে কৃতিত্বপূর্ণ ফল করা ৬৪ জন শিক্ষার্থীকে পদক ও সনদ প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
রাজ্যপাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সমাজ ও দেশের উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি জীবনজুড়ে শৃঙ্খলা, সততা এবং নিরন্তর শেখার মানসিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ডিগ্রি অর্জনের পরও শেখার প্রক্রিয়া কখনও শেষ হয় না।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানায়। বক্তারা বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু চাকরি অর্জন নয়, সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠাও।
অনুষ্ঠানজুড়ে বিভিন্ন সময়ে করতালির ধ্বনি শোনা যায়। সম্মাননার জন্য যখনই কোনো শিক্ষার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়, উপস্থিতরা করতালি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করেন। রাজ্যপালও শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়াতে উপস্থিত সবাইকে করতালি দেওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবর্তনে বিপুল সংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে সন্তানদের সম্মানিত হতে দেখে পরিবারের সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেন। অনেক অভিভাবক মোবাইল ফোনে সেই মুহূর্ত ধারণ করেন।
মঞ্চে উপস্থিত অতিথিরাও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ অর্জনকে শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম এবং শিক্ষকদের দিকনির্দেশনার ফল বলে উল্লেখ করে।
অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। পদক বিতরণের পর দলীয় আলোকচিত্র গ্রহণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়।












