নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেই বাংলার মাটিতে এক ভিন্ন ছবি। অনুরাগ ঠাকুর নিজেই হাতে কাঁটা বেছে রুই-পোস্ত খেয়ে জানালেন—“বাংলার সংস্কৃতি আমাদেরও প্রিয়।” রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে মিলল বাঙালিয়ানার ছোঁয়া।
মাছে-ভাতে বাঙালি! রুই-পোস্তে চমক
কলকাতার রাজারহাটের এক হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকের পর মধ্যাহ্নভোজে বসেন অনুরাগ ঠাকুর। সেখানে ভাতের সঙ্গে সর্ষে-পোস্ত দিয়ে রুই মাছ খেতে দেখা যায় তাঁকে। এমনকি দু-হাত দিয়ে কাঁটা বেছে খাওয়ার দৃশ্যও নজর কাড়ে।
বিতর্কের মাঝেই রাজনৈতিক বার্তা
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় মাছ খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিতেই বাঙালির প্রিয় খাবার খেয়ে প্রতীকী বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা।
‘মমতা বনাম জনতা’—কড়া আক্রমণ
সাংবাদিক বৈঠকে তিনি সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকারকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে রাজ্যে শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের উন্নতি হয়নি।
চাকরি ও আর্থিক প্রতিশ্রুতি
অনুরাগ ঠাকুর দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের যুবকদের জন্য বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এক কোটি চাকরি, মাসে আর্থিক সহায়তা—এমন একাধিক প্রতিশ্রুতিও শোনান তিনি।
‘হাত জোর করে অনুরোধ’—ভোটের ডাক
প্রচারের শেষে বাংলার বাইরে থাকা যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “হাত জোর করে অনুরোধ করছি, ফিরে এসে ভোট দিন।” তাঁর দাবি, বাংলার উন্নয়নের জন্য পরিবর্তন জরুরি।
কলকাতায় প্রচারে এসে মাছ-ভাত খেয়ে চমক দিলেন বিজেপি নেতা অনুরাগ ঠাকুর। আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের মাঝেই বাঙালি খাবার খেয়ে রাজনৈতিক বার্তা দিলেন তিনি, সঙ্গে শাসকদলকে কড়া আক্রমণ।








